ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

মির্জাপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি

সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম

মির্জাপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১০নং গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ৭ ইউপি সদস্য। তাকে অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তারা।

গতকাল মঙ্গলবার টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো. রাফিউল ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগকারী সদস্যরা হলেন, ২নং ওয়ার্ডের রফিকুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের মজিবর রহমান, ৭নং ওয়ার্ডের লিটন হোসেন, ৮নং ওয়ার্ডের লুৎফর রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের মো. আলাউদ্দিন ১, ২, ৩নং ওয়ার্ডের শিউলি আক্তার ও ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য সেলিনা আক্তার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আ.লীগ সরকার পতনের পর গোড়াই ইউপি চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবীর গোপালপুর উপজেলার কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলার আসামি হন। এক নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান আদিল খানও একাধিক মামলার আসামি। এরপর থেকেই তারা দুজনই পলাতক রয়েছেন। পরবর্তীতে একই বছরের ১ ডিসেম্বর দুই নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। 

গত বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হকের কাছে লিখিত অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দের প্রকল্প, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, উন্নয়ন সহায়তা, রাজস্ব উন্নয়ন তহবিল, বার্ষিক বাজেটের ১ শতাংশ প্রকল্প, হাটবাজারের রাস্তা নির্মাণসহ ৩১টি প্রকল্পের অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ওই ৭ ইউপি সদস্য। গোড়াই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, ডিসি অফিসে একসঙ্গে ৭ মেম্বার লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমাদের ঠকানো হয়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। যে প্রকল্পগুলোর কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন হয়নি। তবে রেজুলেশন করা হয়েছে। এ ছাড়া মেম্বাররা অনেক প্রকল্পের সভাপতি হয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তারা।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সরকারি নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (স্থানীয় সরকার শাখা) মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, এরকম একটি অভিযোগ পেয়েছি। ডিসি স্যারের নির্দেশনায় বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!