ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পাউবোর অবহেলায় পটিয়ার লবণ শিল্প হুমকির মুখে, মাসে ২ ট্রলার ডুবি

ওসমান গনি, পটিয়া (চট্টগ্রাম)

ওসমান গনি, পটিয়া (চট্টগ্রাম)

এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

পাউবোর অবহেলায় পটিয়ার লবণ শিল্প হুমকির মুখে, মাসে ২ ট্রলার ডুবি

চট্টগ্রামের পটিয়া ইন্দ্রপুল এলাকার অর্ধশতাধিক লবণ মিলের উৎপাদন ও কাঁচামাল পরিবহন চরম সংকটে পড়েছে। পটিয়ার চাঁনখালী খালের নাইখাইন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মাণাধীন সেতুর পানির নিচে থাকা লোহার শিট পাইলের ধাক্কায় এক মাসের ব্যবধানে দুটি ট্রলার ডুবে গেছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ঢালাই শেষে শিট পাইলগুলো সম্পূর্ণ অপসারণ না করে পানির নিচে কেটে রাখায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে।

সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ বাঁশখালী থেকে ১৮০০ মণ লবণের কাঁচামাল নিয়ে আসার পথে একটি ট্রলার ওই শিট পাইলের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। এতে প্রায় আট লাখ টাকার লবণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ট্রলারের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার মালিক আহমদ উল্লাহ জানান, এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও একই স্থানে অন্য একটি ট্রলার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল। এ বিষয়ে পটিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি তিনি।

লবণ মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক আল্লাই বলেন, নৌপথে পরিবহন ব্যয় কম হওয়ায় কক্সবাজার ও বাঁশখালী থেকে কাঁচামাল আনতে এই খালটিই প্রধান মাধ্যম। কিন্তু বর্তমানে ভরা মৌসুমে যেখানে প্রতিদিন ১৫-২০টি ট্রলার আসত, এখন প্রাণের ঝুঁকিতে মাত্র দুই-তিনটি ট্রলার আসছে। বাধ্য হয়ে সড়কপথে ট্রাকে করে লবণ আনতে গিয়ে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এতে ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দুর্ঘটনাস্থলে লাল কাপড় টাঙিয়ে দায় সেরেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাউবোর পটিয়া উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানান, ছয় মাস ধরে সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে লাল কাপড় দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘রয়েল এন্টারপ্রাইজ’ তাদের গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তাদের সামগ্রীর কারণে কোনো ট্রলার ডুবেনি। দ্রুত এই মরণফাঁদ অপসারণ না করলে লবণ শিল্পে স্থবিরতা নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!