ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে ১৫০ পরীক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে ১৫০ পরীক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম.এ.ইউ একাডেমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান সরকারের চরম গাফিলতিতে প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগে প্রবেশপত্রে (অ্যাডমিট কার্ড) অসংখ্য ভুল এবং অনেকের কার্ড না আসায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, আগামী বুধবার থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। এই বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে মোট ২১২ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেন, অ্যাডমিট কার্ডে নাম, জন্ম তারিখ ও ছবির বিশাল গড়মিল। কারও বাবা-মায়ের নাম ভুল, আবার কারও ছবির জায়গায় অন্য শিক্ষার্থীর (ছাত্রের বদলে ছাত্রী বা ছাত্রীর বদলে ছাত্র) ছবি লাগানো হয়েছে। এমনকি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে মানবিক বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে এবং অনেক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আদৌ আসেনি।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ফরম পূরণের প্রসেসিং ফি ও কম্পিউটারের কাজের নামে জন প্রতি দুই থেকে আড়াইশ টাকা অতিরিক্ত নিলেও প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা দক্ষ অপারেটরের সহযোগিতা নেননি। টাকার হিসাব গোপন রাখতে তিনি বাইরের একটি সাধারণ দোকান থেকে তড়িঘড়ি করে কাজ করিয়েছেন, যার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল আমিন ও নাজিয়া আযম জানান, পরীক্ষার আর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও তারা এখনো প্রবেশপত্র হাতে পাননি। প্রধান শিক্ষক তাদের ধৈর্য ধরতে বললেও পড়ার চেয়ে এখন প্রবেশপত্র নিয়ে দুশ্চিন্তাই তাদের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরেক শিক্ষার্থী হযরত আলী জানান, তার প্রবেশপত্রে এক নারী পরীক্ষার্থীর ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি বিদ্যালয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামসুজোহা বলেন, একটু বাড়তি মুনাফার লোভে প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জীবনে অন্ধকার ডেকে এনেছেন। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।

অ্যাডমিট কার্ডে ভুলের কথা স্বীকার করলেও প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার আশ্বাস দিয়েছেন যে, পরীক্ষার আগেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে সময় অত্যন্ত কম হওয়ায় এবং ভুলের মাত্রা ব্যাপক হওয়ায় পরীক্ষার্থীরা আদৌ হলে বসতে পারবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না।

এ ঘটনায় অভিভাবকরা দ্রুত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান একটি বছর নষ্ট না হয়। বর্তমানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জটলা এবং চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জেএইচআর

Link copied!