ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মাদকাসক্ত ছেলেকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিলেন মা

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

মাদকাসক্ত ছেলেকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিলেন মা

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলেকে নিজ হাতে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেছেন এক মা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই দণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ জহিরুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্ত হযরত আলী (২৭) পৌর শহরের চর ভবসর এলাকার মোনা শেখের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হযরত আলী মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই তিনি পরিবারের সদস্যদের ওপর, বিশেষ করে তার মায়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন। বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে অবশেষে তার মা সুর্যতনভান প্রশাসনের শরণাপন্ন হন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকালে পুলিশ হযরত আলীকে তার বাড়ি থেকে মাদকসহ আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(৯) ও ১০(৫) ধারায় তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

হযরত আলীর মা জানান, “দীর্ঘদিন ধরে সে মাদক সেবন করে আমাকে ও পরিবারের অন্যদের নির্যাতন করে আসছিল। টাকা না দিলে মারধর করত। অনেক বোঝানোর পরও সে মাদক ছাড়েনি। বাধ্য হয়ে তাকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ জহিরুল ইসলাম বলেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে আসছিল এবং মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় এবং আইনের আওতায় দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।”

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত হযরত আলীকে ইতোমধ্যে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে এবং পরিবারগুলোকে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করবে।

এএন

Link copied!