ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইসলামপুরে সপ্তাহজুড়ে জ্বালানি সংকট, চরম ভোগান্তি

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম

ইসলামপুরে সপ্তাহজুড়ে জ্বালানি সংকট, চরম ভোগান্তি

জামালপুরের ইসলামপুর ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন পাম্পে সপ্তাহজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। তেলের পাম্পে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন চালক ও সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল।

সরেজমিনে ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে, “তেল নেই” লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে। পাম্পে তেল থাকলেও তা অত্যন্ত সীমিত। দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে অনেককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাক এবং মোটরসাইকেল চালকদের তেল সংগ্রহের জন্য একদিন আগ থেকেই পাম্পে দীর্ঘ সারি দেখা যায়, যা দিঘলকান্দি পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

এক ব্যবসায়ী বলেন, তেল না থাকলে রাইড শেয়ারিং বা ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হয় না, ফলে ওই দিনের আয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া বা জরুরি পারিবারিক কাজে বের হওয়ার সময় তেল না পাওয়া জীবনের ঝুঁকি তৈরি করে। পাম্পের কর্মীদের কাছ থেকে অনেক সময় সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না এবং তাদের দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয়।

অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা জানান, আমরা শিক্ষকরা অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করি। বিশেষ করে শহর থেকে দূরে বা দুর্গম এলাকায় পাঠদান করতে যাই। সময়মতো ক্লাসে উপস্থিত হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তেল ও বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে, যা তাদের সীমিত আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে ব্যাংকিং খাতের যাতায়াত ও লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় গ্রাহক সেবা এবং সামগ্রিক অর্থপ্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে।

চালকদের ক্ষোভ, গত কয়েক দিন ধরে পাম্পে ঘুরছি কিন্তু তেলের দেখা নেই। গাড়ি না চললে মালিক টাকা দেয় না। সংসার চালানোই এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মোটরসাইকেল চালকদের কণ্ঠেও ছিল একই সুর। তাদের অভিযোগ, তেলের অভাবে কর্মস্থলে পৌঁছানো এবং জরুরি কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

ভুক্তভোগীর আর্তনাদ: তেল নেই তো চাকা ঘোরে না, আর চাকা না ঘুরলে আমাদের সংসার চলে না। আমরা শুধু নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ চাই, যেন আমাদের স্বাভাবিক জীবন থমকে না যায়।

ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের পাম্পের মালিকরা বলেন, ডিপো থেকে তেল না পাওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট কাটবে না বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। 

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলছে, দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। জনসাধারণের দাবি, সরকার যেন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই তেল সংকটের সমাধান করে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে।

এএন

Link copied!