ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আলমডাঙ্গায় জিকে ক্যানালের ব্রিজ ভেঙে ১৫ গ্রামের মানুষের চরম ভোগান্তি

আশরাফুল আলম, চুয়াডাঙ্গা

আশরাফুল আলম, চুয়াডাঙ্গা

মে ৩, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

আলমডাঙ্গায় জিকে ক্যানালের ব্রিজ ভেঙে ১৫ গ্রামের মানুষের চরম ভোগান্তি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামে জিকে ক্যানালের ওপর নির্মিত একমাত্র ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় ১৫টি গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চলাচলের বিকল্প কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪৫ বছর আগে আইলহাস ইউনিয়নের সোনাতনপুর গ্রামে জিকে ক্যানালের ওপর এই ব্রিজটি নির্মাণ করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড। দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জরাজীর্ণ এই ব্রিজটি ২০২৪ সালের জুন মাসে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এতে করে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এলাকাবাসীকে উপজেলা সদর বা জেলা শহরে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত ২ থেকে ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

সোনাতনপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ও ফজলুর রহমান জানান, ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়া সত্ত্বেও নিরুপায় হয়ে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। প্রায় দুই বছর আগে ব্রিজটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তখন সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে কৃষিপণ্য পরিবহন এবং মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আরেক বাসিন্দা অজিবার জানান, প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে প্রায় ১২০টি ছোট-বড় যানবাহন যাতায়াত করত। এখন ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় ভ্যান ও অটোরিকশা চালকরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদ বলেন, সোনাতনপুর গ্রামের ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের জন্য ইতিপূর্বেই চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত এটি মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

জেএইচআর

Link copied!