ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, সামনে এলো হত্যার নেপথ্য কারণ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২, ২০২৬, ১১:৩২ এএম

ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, সামনে এলো হত্যার নেপথ্য কারণ

ইউরোপের দেশ ইতালিতে এক প্রবাসী পরিবারের ভেতর ঘটে গেছে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পারিবারিক দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক বিরোধ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

নিহত ও অভিযুক্ত দুই ভাই মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন ফকির ও নয়ন ফকির। তারা দুজনই ইতালিতে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

পরিবারের দাবি, এটি হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধ ও মানসিক চাপের ফলাফল হিসেবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বড় ভাই হুমায়ুন ফকিরের ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক সম্পর্ক ও বিয়েকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা চলছিল। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি পরবর্তীতে আরেকটি সম্পর্ক ও গোপন বিয়ের ঘটনায় পরিবারে বিভক্তি তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় পারিবারিক সম্পর্ক আরও ভেঙে পড়ে এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছে যায়। পরে ছোট ভাই নয়নের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি ঘটে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিষয়ও এই বিরোধকে আরও গভীর করে তোলে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, ইতালিতে অবস্থানকালীন বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন ও পারিবারিক ব্যয়ের ভাগাভাগি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ চলছিল।

ঘটনার দিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে নয়ন ফকির বাসার নিচে গেলে সেখানে বড় ভাই হুমায়ুনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং নয়ন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয় বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত হুমায়ুনকে ইতালিয়ান পুলিশ আটক করেছে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় আইনে হত্যার অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিহতের পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, পারিবারিক অস্থিরতা ও দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বই এই ট্র্যাজেডির মূল কারণ।

এদিকে স্থানীয় প্রবাসী কমিউনিটিতে এই ঘটনা নিয়ে শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এএন

Link copied!