ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

যশোরের ঐতিহ্যবাহী ‘মণিহার’ সিনেমা হল ভেঙে হবে আবাসিক হোটেল

এম এ রহমান, যশোর

এম এ রহমান, যশোর

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ০৫:২৩ পিএম

যশোরের ঐতিহ্যবাহী ‘মণিহার’ সিনেমা হল ভেঙে হবে আবাসিক হোটেল

এক সময়ের এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম আলোচিত সিনেমা হল লোকসানে বোঝা নিয়ে  আজ পথে বসেছে। যশোরের ঐতিহ্যবাহী  দেশের শ্রেষ্ঠতম  ‘মণিহার’ সিনেমা হল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকপক্ষ। অব্যাহত লোকসানের কারণে হলটি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আজ থেকে ৪২ বছর আগে ১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে যশোরের ঐতিহ্যবাহী ও দেশের সর্ববৃহৎ সিনেমা হল ‘মণিহার’। এটির নকশা করেছিলেন কাজী মোহাম্মদ হানিফ। ১ হাজার ৪৩০ আসন বিশিষ্ট হলটি উদ্বোধন হয় সোহেল রানা-সুচরিতা অভিনীত ও দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘জনি’ সিনেমা দিয়ে।

একসময় মণিহারের এতটাই সুখ্যাতি ছিল যে, সেখানে সিনেমা দেখার জন্য জাপান, কোরিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ইংল্যান্ডসহ আরো অনেক দেশ থেকেও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা সিনেমা দেখতে আসতেন। এই সিনেমা হলটি একসময় ঢালিউডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। জমজমাট দর্শক নিয়ে জমজমাট ব্যবসাও করেছেন মালিকপক্ষ। কিন্তু সময় আর প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে মাত্র ৪ দশকের ব্যবধানে কমতে কমতে এখন প্রায় দর্শক শূন্য। তাই ব্যবসাও ঢের লোকসানে।

মণিহার সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আগে সিঙ্গেল স্ক্রিন ছিল। সবাই বলত ভালো পরিবেশ দিলে দর্শক হলে আসবে। এরপর মাল্টিপ্লেক্স করা হয়। কিন্তু এখন তো ভালো সিনেমাই নেই। তাহলে দর্শক হলে আসবে কেন?’ 


তিনি আরও বলেন, ‘মালিকপক্ষ অনেক দিন ধরে হলটি ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা করছেন। আমরা অনুরোধ করে এত দিন এনেছি। কিন্তু এখন আর কোন উপায় নেই। লোকসানের মাত্রা এতটাই বেশি যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ এটি ভেঙে ফেলবেন।’

হলটির মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠু বলেন, ‘এখন তো ভালো ছবি নেই। ছবি না থাকলে হল চালাব কীভাবে? এখন বাইরের দেশের একটি সিনেমা চালাচ্ছি, যেটা এর আগেও চারবার চালিয়েছি। আর সিনেপ্লেক্সে চালাচ্ছি সালমান শাহের ‘বিক্ষোভ’। এভাবে তো চলতে পারে না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এটার আয় আর ব্যয়ের তফাৎ এতটাই বেশি যে, প্রতি মাসে বড়ো অঙ্কের লোকসান আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পরিকল্পনা করছি হলটি বন্ধ এবং ভেঙে সেখানে আবাসিক হোটেল করার।’

জেএইচআর

Link copied!