ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
মুমতাজ

ধর্মেন্দ্রকে হাসপাতালে দেখতে দিতে চাননি, বলেছিলেন ভেন্টিলেটরে আছেন

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১২:১৫ এএম

ধর্মেন্দ্রকে হাসপাতালে দেখতে দিতে চাননি, বলেছিলেন ভেন্টিলেটরে আছেন

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর তাঁর সহ-অভিনেত্রী ও ৭০-এর দশকের জনপ্রিয় নায়িকা মুমতাজ আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। এ

কটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাঁকে যেতে দেওয়া হয়নি, কারণ সে সময় ধর্মেন্দ্রকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল।

মুমতাজ জানান, আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম ধর্মজি কে একবার দেখার জন্য। কিন্তু কর্মীরা আমাকে বললেন যে তিনি ভেন্টিলেটরে আছেন, কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমি প্রায় ৩০ মিনিট বসে ছিলাম, আশা করছিলাম হয়তো দেখা পাওয়া যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা হয়নি। মন খারাপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে।

মুমতাজ বলেন, তিনি শেষবার ধর্মেন্দ্রের সঙ্গে দেখা করেছিলেন ২০২১ সালে, যখন তিনি তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেটা খুবই সুন্দর একটি সাক্ষাৎ ছিল। ওটাই আমাদের শেষ দেখা। তারপর আর কখনো দেখা হয়নি। ভাবতেও পারিনি যে সেটাই শেষ হবে।

ধর্মেন্দ্র ও মুমতাজ দু’জনেই ১৯৭৩ সালে জীল কে উস পার এবং লোফার ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। পর্দার বাইরেও তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল আন্তরিক ও উষ্ণ।

ধর্মেন্দ্রর পরিবার ও পরিজনের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন মুমতাজ। বিশেষ করে হেমা মালিনীর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি হেমা জির জন্য বিশেষভাবে দুঃখিত। তিনি সবসময় ধর্মজি–র প্রতি নিবেদিত ছিলেন। সত্যিকারের ভালোবাসতেন তাঁকে। তাঁর এই ক্ষতি যে কতটা গভীর, তা শুধু তিনিই বুঝতে পারবেন।

ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করতে গিয়ে মুমতাজ বলেন, কয়েকটি ছবিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। ধর্মজি সবসময় অসাধারণ সহ-অভিনেতা ছিলেন। ভীষণ ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর মন ছিল সোনার মতো, উদার, মিশুক এবং সবার পাশে থাকা মানুষ। তিনি বয়সের শেষ সময় পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে সংযোগ বজায় রেখেছিলেন। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রেখেছেন। মানুষ তাঁকে ভালোবাসতো, আজও ভালবাসে। তিনি ছিলেন প্রকৃতই এক কিংবদন্তি যার জায়গা কেউই নিতে পারবে না।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর মঙ্গলবার মুমতাজ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেন, যার মধ্যে ছিল চলচ্চিত্রের স্টিল, পুরনো ছবি এবং এক বিরল গ্রুপ ফটো। সেই ছবিতে দেখা গেছে ধর্মেন্দ্র, অঞ্জু মহেন্দ্রু, পুনম সিনহা, জ্যাকি শ্রফ, ড্যানি ডেঞ্জংপা, তালাত আজিজ এবং মুমতাজকে। মুমতাজ লিখেছেন, ধরামজি, আপনি ছিলেন এবং সর্বদা আমাদের সঙ্গে থাকবেন। শান্তিতে বিশ্রাম করুন।

বলিউডের এই মহাতারকা ২৪ নভেম্বর, বয়স ৮৯ বছর, শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ৩১ অক্টোবর শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসার পর ১২ নভেম্বর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থা আবারও খারাপ হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসেননি।

শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় মুম্বাইয়ের পবন হংস শ্মশানে, যেখানে পরিবার, বন্ধু, বলিউডের শিল্পী এবং অসংখ্য অনুরাগী তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। তাঁর স্মরণে একটি প্রার্থনা সভা আয়োজন করা হয়েছে বাঁদ্রায় তাজ ল্যান্ডস এন্ড-এর সিসাইড লনসে। সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

ধর্মেন্দ্র শুধু বলিউডের অন্যতম সফল নায়কই নন, তিনি ছিলেন এ দেশের এক সাংস্কৃতিক প্রতীক। গ্রামীণ ভারতের সাধারণ এক ছেলেকে থেকে বলিউডের হ্যান্ডসম হিরো হয়ে ওঠা তাঁর যাত্রা আজও কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা। তিনি অভিনয় করেছেন শোলে, চিতচোর, সূরজ, ধর্ম গাই, সীতা অউর গীতা-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী ছবিতে। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব, মানবিকতা ও উষ্ণতা তাঁকে বিশ্বজোড়া ভালোবাসা এনে দিয়েছে।

মুমতাজের ভাষায় বলতে গেলে, ধর্মেন্দ্র ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন আমাদের হৃদয়ে। তিনি অপরিবর্তনীয় ও অদ্বিতীয়।

ইএইচ

Link copied!