ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভারতের বাজারে বাংলাদেশি ইলিশের দামে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ০৫:৪১ পিএম

ভারতের বাজারে বাংলাদেশি ইলিশের দামে আগুন

বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসছে শুনে খুশি হয়েছিলেন কলকাতার মানুষ। তবে দাম বেশি হওয়ায় আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা। ক্রেতা কম হওয়ায় এখন বাংলাদেশ থেকে আর ইলিশ আমদানি করা হবে কি না সে চিন্তাও করছেন ভারতীয় আমদানিকারকরা।

শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি ইলিশ কেনায় সাধারণ মানুষ খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। এরপর গতকাল শুক্রবার লেক মার্কেট, গারিয়াহাট এবং মানিকতলার খুচরা ব্যবসায়ীরা হাওড়ার পাইকারি বাজার থেকে মাত্র ৫ কেজি থেকে ২৫ কেজি করে ইলিশ নিয়েছেন।

এরমধ্যে শোনা যাচ্ছে গুজরাট থেকে ইলিশের বড় একটি চালান আসছে। এতে করে বাংলাদেশি ইলিশের বাজার আরও পড়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বলছেন গুজরাটের ইলিশ তাদের সাধ্যের মধ্যে থাকবে।

বর্তমানে কলকাতায় বাংলাদেশের এক কেজির বেশি একটি ইলিশের দাম ২ হাজার রুপি থেকে ২ হাজার ৫০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। যা বাংলাদেশি অর্থে যথাক্রমে ২ হাজার ৮০০ এবং ৩ হাজার ৫০০ টাকার সমান।

অপরদিকে একই সাইজের গুজরাটের ইলিশ খুচরা পর্যায়ে ৮০০ থেকে ১১ শ রুপিতে পাওয়া যাবে।

এছাড়া মিয়ানমার থেকে আসা হিমায়িত ইলিশও প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে এগুলো বাজারে ছাড়া হবে। এ ইলিশগুলো ১ হাজার ৫০০ রুপিতে পাওয়া যাবে।

কলকাতার মাছ আমদানি অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি আনোয়ার মাসুদ টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, “বাংলাদেশি ইলিশের দাম কমবে বলে মনে হয় না। বর্তমানে যে দাম এতে খুব কম মানুষ এ ইলিশ কিনবে।“

আগামী সোমবার পর্যন্ত বাজার পর্যবেক্ষণ করে আর বাংলাদেশি ইলিশ আমদানি করা হবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আনোয়ার মাসুদ।

গত মঙ্গলবার পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ৫০ টন বাংলাদেশি ইলিশ ভারতে যায়। এরপর থেকে শুক্রবার পর্যন্ত আর মাত্র ২০ টন ইলিশ ঢুকেছে।

অমর দাস নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বলেছেন, “ডায়মন্ড হারবার থেকে যদি আমি ভালো সাইজের মাছ পাই তাহলে আমি ১০০ কেজির স্টক কিনতে পারি। কিন্তু এবার আমি মাত্র ২০ কেজি বাংলাদেশি ইলিশ নিয়েছি। যখন ক্রেতারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তখন এই ইলিশ মজুত করে তো কোনো লাভ নেই।”

মানিকতলার রাজু দাস বলেছেন, “বাংলাদেশি মাছের গঠন যদিও ভালো। কিন্তু এগুলো আকারে ছোট এবং দাম অনেক বেশি। যদি বড় মাছের ক্ষেত্রে এমন দাম হতো তাহলে ঠিক ছিল। ডায়মন্ড হারবারের মাছ যদি থাকে বাংলাদেশি মাছের কোনো ক্রেতাই থাকবে না।”

তবে তা সত্ত্বেও কলকাতার অনেক মানুষের বাংলাদেশের ইলিশের প্রতি আলাদা টান আছে। তাদের একজন আয়ুস্মান মুখার্জি। তিনি মাছ বিক্রেতাকে আগে থেকেই বলে রেখেছিলেন তাকে যেন বাংলাদেশি মাছ দেওয়া হয়। গতকাল শুক্রবার ২ হাজার ৫০ রুপি দিয়ে একটি ইলিশ কিনেছেন তিনি।

জেএইচআর

Link copied!