ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তিতে বড় অগ্রগতি, চূড়ান্ত স্বাক্ষরের অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুন ১৪, ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তিতে বড় অগ্রগতি, চূড়ান্ত স্বাক্ষরের অপেক্ষা

কয়েক মাসের সংঘাত ও উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। দুই পক্ষের চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাব্য সময় নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্যে কিছুটা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে রোববারই দুই দেশের প্রতিনিধিরা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাথমিক শান্তিচুক্তিতে সই করতে পারেন। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, চুক্তি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার আশাও প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চুক্তি স্বাক্ষরে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। সব বিষয় চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।

শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা পাকিস্তানও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, দুই পক্ষ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তির খসড়ার চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণ হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে কূটনৈতিক অগ্রগতির মধ্যেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। শনিবার ভোরে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, ইসলামাবাদে শুরু হওয়া সমঝোতা উদ্যোগ এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তিকে চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক চুক্তি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং জব্দকৃত অর্থের একটি অংশ ছাড় দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত বিরোধ এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই বিষয়টি প্রাথমিক চুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পৃথক আলোচনার মাধ্যমে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু শর্তে সম্মত হয়েছে। যদিও তেহরান স্পষ্ট করেছে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো বা ধ্বংস করা হবে না; বরং দেশের ভেতরেই এর সমৃদ্ধির মাত্রা কমানো হতে পারে।

এ ছাড়া মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইরান তার ইউরেনিয়াম মজুত আরও সুরক্ষিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রবেশপথে বিস্ফোরক মাইন স্থাপন এবং কিছু টানেল ধ্বংসের মাধ্যমে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান ঠেকানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এএন

Link copied!