ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

যে কারণে সৌদি প্রতিনিধিদের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শুনিয়েছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৪, ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

যে কারণে সৌদি প্রতিনিধিদের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শুনিয়েছে ইরান

সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের সামনে পবিত্র কোরআনের একটি নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াত করাকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আয়াত নির্বাচন করলেও সৌদি প্রতিনিধিদের শোনানো হয় সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত, যেখানে ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ এসেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে প্রতীকী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে তেহরান।

শুক্রবার বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন রাখা হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌদি আরবের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলও সেখানে উপস্থিত হয়। দলটির নেতৃত্ব দেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খেরেজি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিদেশি প্রতিনিধিদের প্রত্যেককে পবিত্র কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তেলাওয়াত করে শোনানো হয়। সৌদি প্রতিনিধিদলের জন্য নির্বাচন করা হয় পবিত্র কোরআনের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত, যেখানে ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ এসেছে। ওই যুদ্ধে ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের মধ্যকার সংঘর্ষ এবং আল্লাহর সাহায্যের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আয়াতটির বাংলা অর্থে বলা হয়েছে, “তোমাদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে সেই দুই দলের মধ্যে, যারা পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল। একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অপরদল ছিল কাফির। কাফিররা মুসলিমদের নিজেদের চোখে দ্বিগুণ দেখছিল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা নিজের সাহায্যের মাধ্যমে শক্তিশালী করেন। নিশ্চয়ই এতে দৃষ্টিসম্পন্নদের জন্য শিক্ষা রয়েছে।”

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সৌদি প্রতিনিধিদের সামনে এই নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান সম্ভবত একটি প্রতীকী বার্তা দিতে চেয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেহরান হয়তো নিজেদের আল্লাহর পথে অবস্থানকারী পক্ষ হিসেবে তুলে ধরতে এবং প্রতিপক্ষকে বিপরীত অবস্থানে দেখানোর ইঙ্গিত দিতে চেয়েছে।

এদিকে সৌদি প্রতিনিধিদের সামনে সুরা আল ইমরানের এই আয়াত পাঠের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিষয়টির ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে নানা ধরনের বিশ্লেষণ ও মতামত।

তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

এএন

Link copied!