ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬
গালিবাফের হুঁশিয়ারি

জবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

জবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ‘জোরজবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না।’ ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে বুধবার (৮ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গালিবাফ অভিযোগ করেন, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা, দক্ষিণ ইরানে হামলা এবং ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন করেছে। তার দাবি, এসব পদক্ষেপের কারণে চুক্তিটি কার্যত ব্যর্থ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ধমক ও জোরজবরদস্তির মাধ্যমে কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।

ট্রাম্পের অভিযোগ, ইরান সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, হরমুজে হামলার পর ইরানের ক্ষমতাসীন নেতাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করা এখন সময়ের অপচয়।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই ঘালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান।

জানা গেছে, গত ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে ১৪টি ধারা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেবে এবং বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা ছিল। এসব শর্ত ৬০ দিন কার্যকর থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর মধ্যে ছিল মার্শাল আইল্যান্ডসের পতাকাবাহী কাতারি জাহাজ ‘এমটি আল আল-রেকাইয়াত’, সৌদি আরবের পতাকাবাহী ‘এমটি ওয়াদিয়ান’ এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি সাইপ্রাস প্রসপারিটি’।

এই হামলার জবাবে মঙ্গলবার ইরানের ৮০টি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একই সঙ্গে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞাও পুনর্বহাল করে ওয়াশিংটন।

সেন্টকম জানায়, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার এবং জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এম জি

Link copied!