ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৯, ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন সম্পন্ন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

দাফনের আগে এক সপ্তাহ ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে তার মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে মাশহাদের রাজপথে হাজারো মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত মোজতবা খামেনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। ইরানি সূত্রের দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। এতে তার মুখমণ্ডল বিকৃত হওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়।

সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসাধীন থাকা এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি এখনো প্রকাশ্যে উপস্থিত হননি। যদিও তিনি লিখিত বার্তা দিয়েছেন, তবে তার কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া জনতার একাংশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক স্লোগান দেন। অনেকের হাতে ‘কিল ট্রাম্প’ লেখা প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। তারা খামেনির হত্যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এর আগে খামেনির মরদেহ তেহরান, কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হয়। সেখানে লাখো মানুষ শোকযাত্রায় অংশ নিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্যে শাহাদাতের বিশেষ গুরুত্ব থাকায় বিদেশি হামলায় খামেনির মৃত্যু ইরানে ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক প্রতীকী গুরুত্ব পেয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। টানা ৩৭ বছর তিনি দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তার শাসনামলে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) রাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়।

তার মৃত্যুর পর আইআরজিসির সমর্থনে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এম জি

Link copied!