ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী তানিয়া গ্রেপ্তার

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

অক্টোবর ৯, ২০২৪, ০৪:২১ পিএম

স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী তানিয়া গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম (৪৫)কে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী তানিয়া ইসলাম (মনি)কে গ্রেপ্তার করেছে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ। নিহত সিরাজুল ইসলাম হোমনা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর  পূর্ব আড়ালিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের সন্তান। 

রোববার (৬ অক্টোবর) ভোরে সিরাজুল ইসলামকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের মাঈনুদ্দিন মেম্বারের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে  মুমূর্ষু অবস্থায়  উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত সিরাজুল ইসলামের ছেলে টুটুল (২০) বাদী হয়ে তার মা তানিয়া ইসলামকে প্রধান আসামী করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গতকাল মঙ্গলবার রামকৃঞ্চপুর বাজার থেকে এজহার নামীয় আসামী তানিয়া ইসলামকে গ্রেফতার করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ।

মামলার বাদী মো. টুটুল বলেন, আমার মা তার নিজের মন মতো চলতো এবং খারাপ মানুষের সাথে চলাফেরা করতো। এগুলো আমার বাবার একেবারেই পছন্দ ছিলো না। এগুলো নিয়ে বাবা আম্মাকে প্রায়ই বুঝাতো।  কিন্তু আম্মা বাবার কথায় না শুনে উল্টো বাবার সাথে ঝগড়া লাগতো । বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা ৯মাস যাবত  বিভিন্ন বাড়িতে থেকে বাবাকে হত্যার হুমকি দিতো। গত ৬তারিখ রাত ১২টার দিকে বাবা আর আমি রাতের খাবার খেয়ে বাবা আমাদের বসত ঘরে গুমায় আর আমি দাদির ঘরে গুমিয়ে পরি। ভোরে আমার মহাজন খবর দেয় বাবা আহত অবস্থায় বাঞ্ছারামপুর ওয়াই ব্রিজের এখানে পরে আছে। বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে ডাক্তার বাবাকে মৃত ঘোষণা করে।  আমার বাবার হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত প্রশাসনের কাছে তাদের শাস্তি দাবি করছি।

নিহতের মেয়ে শিমু আক্তার জানান,  আমার মা খারাপ মহিলাদের সাথে চলাফেরা করার কারণে মাকে নিষেধ করতো বাবা। বাবা বলতো তুমি তাদের সাথে চলাফেরা করা বন্দ করো তোমাকে আমি ক্ষমা করে দিবো। কিন্তু বাবার কথা শুনতো না মা। তিনি সংসার,ছেলে,মেয়ে ছাড়তে রাজি আছে, কিন্তু খারাপ মহিলাদের সাথে চলাফেরা বন্দ করবে না। পারিবারিক কলহের জেরে মাঝে মাঝে তার বাবাকে তাদের সামনেই  মা বঁটি দিয়ে, ঝাড়ু দিয়ে মারতে যাইতেন। প্রায়ই  মা-বাবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করত এবং  তোর রক্ত দিয়ে গোসল করমু বলে হুমকি ধামকি দিতো।  আজ ৯ মাস যাবৎ  মা আমাদের বাসায় থাকেন না প্রতিবেশী ছগির মিয়া, পাপিয়া, কালন ও রাহিমার বাড়িতে থাকতো। সেই বাড়িতে  থেকেই  বাবাকে বার বার মারার হুমকি দিতো।  আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিমু।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) সুজন চন্দ্র পাল বলেন, নিহতের ছেলে টুটুল মিয়া বাদী হয়ে তার মায়ের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে রামকৃঞ্চপুর বাজার থেকে আসামিকে গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছি। হত্যার সাথে কারা জড়িত আছে এই বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বিআরইউ

Link copied!