আমার সংবাদ ডেস্ক
নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৫:০৯ পিএম
রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন উৎসব ১৪তম কমওয়ার্ড: এক্সিলেন্স ইন ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন। আয়োজনে ৩২টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৩৪টি বিজ্ঞাপনী প্রচারণাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটির সৌজন্যে ছিল এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এবং সঞ্চালনায় ছিল ওয়ালটন গ্রুপ।
এ বছর ২টি গ্র্যান্ড প্রিক্স, ৮টি গোল্ড, ৩৯টি সিলভার ও ৮৫টি ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। মোট ৮৭টি এজেন্সি, ব্র্যান্ড ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ১,৪১১টি মনোনয়ন জমা পড়ে।
গালা উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্প বারবার প্রমাণ করছে, আমাদের সৃজনশীলতা থেমে নেই কমওয়ার্ড সেই অগ্রগতির উৎসব।
ন্যায্য মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ১০টি শর্টলিস্টিং প্যানেল ও ১০টি গ্র্যান্ড জুরি প্যানেলে ২৫০ জন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। এ বছর প্রথমবারের মতো যুক্ত হয় বি টু বি, বেস্ট আনপাবলিশড ওয়ার্ক, পজিটিভিটি ক্যাম্পেইন, ক্রিয়েটিভ বিজনেস ট্রান্সফরমেশন, লং টার্ম ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্ম এবং লাক্সারি এ ৬টি নতুন ক্যাটাগরি।
উল্লেখযোগ্যভাবে ‘উইমেন অ্যাট দ্য সেন্টার অব সাসটেইনেবিলিটি’ ক্যাম্পেইনের জন্য গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড এবং ব্যাকপেজ পিআর সাসটেইনেবিলিটি ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জ অর্জন করে।
এ ছাড়া ডোমেক্স বাংলাদেশের “নাক দিয়ে দেখুন” ক্যাম্পেইন এ বছর এফসিবি বিটপি রেজা আলী ইন্ডিপেনডেন্ট স্পিরিট অ্যাওয়ার্ড পায়।
গালায় বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পের দুই কিংবদন্তি মুনির আহমেদ খান এবং জুলফিকার আহমেদকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করা কমওয়ার্ড দেশীয় ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে শিল্পের মানোন্নয়ন, সৃজনশীল দিকনির্দেশনা এবং সাংস্কৃতিক স্টোরিটেলিংয়ের অগ্রযাত্রায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
একই দিনে লে মেরিডিয়ানে অনুষ্ঠিত হয় ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫, যেখানে দেশের শীর্ষ মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন পেশাজীবীরা অংশ নেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল,
কেয়স, কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি: রিইমাজিনিং দ্য কমিউনিকেশন ক্যানভাস।
উৎসবটি আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম, সহযোগিতায় ছিল কানস লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ক্রিয়েটিভিটি, এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পার্টনার।
জেএইচআর