ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কেন আজহারী ও শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া?

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

কেন আজহারী ও শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া?

অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশি ইসলামিক স্কলারদের মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ও শায়খ আহমাদুল্লাহ ভিসা বাতিল করেছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাদের বিতর্কিত, ইহুদিবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন নীতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, যারা দেশটিতে ঘৃণা ছড়ায় বা ধর্মীয় বিদ্বেষের প্ররোচনা দেয়, তাদের প্রবেশে সহনশীলতা নেই। সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট জানিয়েছেন, “মাইগ্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী আমাদের এই ধরনের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে।”

শায়খ আহমাদুল্লাহর ক্ষেত্রে, সিডনিতে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও বিতর্কের মুখে তিনি আগেই দেশ ত্যাগ করেন। এরপরই তার ভিসা বাতিলের খবর নিশ্চিত হয়। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড ও পার্থ সফর স্থগিত হয়ে গেছে।

অপরদিকে, ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে ২ এপ্রিল তার বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে সফরের মাঝপথেই ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ইহুদিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন, হলোকাস্টকে নিয়েও বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার দায় দিয়েছে।

এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক মহলে তর্ক সৃষ্টি হয়েছে। লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডানিয়াম এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র মাইকায়েলিয়া ক্যাশ সরকারের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মাইকায়েলিয়া ক্যাশ বলেন, “অস্ট্রেলিয়া একটি পশ্চিমা দেশ এবং আমাদের নিজস্ব মূল্যবোধ রয়েছে। যারা এখানে ঘৃণা ছড়াতে আসে, তাদের শুরুতেই প্রবেশাধিকার দেওয়া উচিত ছিল না।”

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিস ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে আজহারীর বিষয়ে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। তারা সতর্ক করেছে, বিতর্কিত বক্তাদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ধর্মীয় উত্তেজনা ও সামাজিক বিভাজন বাড়াতে পারে।

অবশেষে, এ ঘটনা বিশ্বসাংবাদিকতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোকে ধর্মীয় বক্তব্য এবং নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। সম্প্রদায় বিশেষের উপর ভিত্তি করে কোনো ব্যক্তিকে প্রবেশাধিকার দেওয়া কি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এ বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সিদ্ধান্তে স্পষ্ট।

এএন

Link copied!