আমার সংবাদ ডেস্ক
মে ৭, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি এবং নোবেলজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কবির প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণই ছিল কবির সৃজনশীলতার মূল লক্ষ্য।
তারেক রহমান বলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর কাব্য, সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকের প্রতিটি স্তরে মানবতা, শান্তি, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন। তাঁর এই অতুলনীয় শৈল্পিক কুশলতা আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। তিনি আরও বলেন, কবির যুক্তিবোধ ও মঙ্গলভাবনা আন্তর্জাতিকতার মূল সুরকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রনাথের অনস্বীকার্য অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল এক প্রেরণার উৎস। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা’ আজ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের দুঃখ-বেদনা রবীন্দ্রসাহিত্যে যেভাবে উঠে এসেছে, তার মূলে ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশ।
বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ-সংঘাত ও অস্থির পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই উত্তাল সময়ে রবীন্দ্রনাথের অহিংস মতাদর্শ ও মানবতাবাদী চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
তিনি কবির শিক্ষা দর্শন নিয়ে বলেন, শিশুসহ নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত শিক্ষায় আলোকিত করতে তিনি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যেখানে পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, দেশব্যাপী কবির জন্মবার্ষিকীর সকল আয়োজন সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে।
জেএইচআর