ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর

মামলা হলেও এখনও গ্রেপ্তার হননি কোন পুলিশ সদস্য 

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১৬, ২০২৬, ১১:০৪ এএম

মামলা হলেও এখনও গ্রেপ্তার হননি কোন পুলিশ সদস্য 

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ডিবি পরিচয়ে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনায় মামলা হলেও এখনো গ্রেপ্তার হননি অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য।

আর ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা খুলশী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান এখনো রয়েছেন সম্পূর্ণ ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তাকে কেবল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় একজন সোর্সকে আটক দেখানো হলেও বাকিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

আইনজীবীরা বলছেন, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগে থানায় মামলা হলে সাধারণত তদন্তকারী সংস্থা আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

অভিযোগের গুরুত্ব, মামলার ধারা এবং তদন্তের স্বার্থে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা কিংবা আসামির আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

কিন্তু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও হেনস্তার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এই দুই প্রক্রিয়ার কোনোটিই দেখা যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের বাহিনীর লোক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু বিভাগীয় তদন্তের কথা বলে বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে।

অথচ ভুক্তভোগীর দেওয়া এজাহার অনুযায়ী, এটি শুধু সাধারণ কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা নয়, বরং এটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ।

ঘটনার শুরু হয় শুক্রবার রাতে, যখন প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।

নগরের লালখান বাজার ফ্লাইওভারের মুখে তাঁর বহনকারী সিএনজিটি থামায় খুলশী থানার তৎকালীন ওসি আরিফুর রহমানের নির্দেশে এসআই শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সোর্স।

নাঈমের অভিযোগ, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক সোনা চোরাচালান আটকের চেকপোস্টে তাকে ডিবি পরিচয় দিয়ে গাড়ি থেকে নামানো হয় এবং জোর করে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়।

সে সময় বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করার পরও পুলিশ সদস্যরা তাকে ছেড়ে দেননি।

ঘটনাস্থলে থাকা এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও এক সোর্স নাঈমকে মারধর করার পর ওসি আরিফুর রহমানের নির্দেশেই তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

থানায় নেওয়ার পরও নাঈম নিজের পরিচয় ও পরিচয়পত্র দেখালে তাকে পুনরায় হয়রানি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল ও পরিচালক ইসরাফিল খসরু পুলিশের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করার পর তাকে থানা থেকে ছাড়া হয়।

এ ঘটনায় শনিবার সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে খুলশী থানায় মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও বেআইনিভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলার পর পুলিশ সোর্স সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হলেও অভিযুক্ত এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেলকে কেবল প্রত্যাহার করা হয়েছে, কিন্তু এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এদিকে ঘটনার মূল নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযোগ ওঠা ওসি আরিফুর রহমান অভিযানের বিষয়ে কিছুই জানতেন না বলে দাবি করলেও নাঈমের পরিবার ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী নাঈমের বাসায় গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ সদস্যরা চরম অপেশাদার আচরণ করেছেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) জানান, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আইন ও ডিপার্টমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অভিযুক্তরা সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।

এএন

Link copied!