ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

বন্যায় প্লাবিত ৫৯ উপজেলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১২, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম

বন্যায় প্লাবিত ৫৯ উপজেলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাতটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ৫৯টি উপজেলা, যার ফলে ৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা এখন পানির নিচে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন।

রোববার দুপুর ২টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারি প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাকবলিত। দুর্গতদের জন্য সাতটি জেলায় মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন মানুষ অবস্থান করছেন।

চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের বড় অংশই কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাসিন্দা।

আঞ্চলিক তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার ১৬টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় আংশিক জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২১ হাজার ৯০০ মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন। কক্সবাজারে ১০টি উপজেলা, বান্দরবানে ৭টি উপজেলা, রাঙামাটিতে ৯টি উপজেলা, খাগড়াছড়িতে ৯টি উপজেলা এবং মৌলভীবাজারে ৫টি উপজেলা বন্যার কবলে পড়েছে। হবিগঞ্জেরও ৩টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত দুর্গত জেলাগুলোর জন্য মোট ১ কোটি ৭৫ লাখ নগদ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা। দুর্যোগ মোকাবিলায় মাঠপর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ চলছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!