ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

মাদকাসক্তি আধুনিক সভ্যতার বিপজ্জনক রোগ

ডা. মু মাহতাব হোসাইন মাজেদ

ডা. মু মাহতাব হোসাইন মাজেদ

আগস্ট ২৫, ২০২২, ০২:৪৪ এএম

মাদকাসক্তি আধুনিক সভ্যতার বিপজ্জনক রোগ

আমাদের সমাজের প্রতিটি স্তরে বিচরণ করছে সর্বনাশা মাদক। ঘুনে পোকার মতো কুরে কুরে খাচ্ছে মানব অস্থিমজ্জা। অজগরের ন্যায় হামুখে খাওয়ার উপক্রম করছে গোটা মানব জাতিকে। এ ভয়ানক পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব। অভিভাবকরা আতঙ্কিত, উৎকণ্ঠিত।

তারা শংকিত কখন মাদকের স্রোতে দিক হারিয়ে নেশার জালে আটকা পড়ে যায় তাদের প্রিয় সন্তান। কখন ছোবল মেরে নেশাগ্রস্ত করে পাঠিয়ে দেয় মরণকূপে। এ ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নিজের সন্তানকে রক্ষার জন্য মা-বাবার সাথে পুরো জাতি আজ শংকিত, আতঙ্কিত।

মাদক এক জটিল সমস্যার নাম। মাদকাসক্তি আধুনিক সভ্যতার ভয়ংকরতম ব্যাধিগুলোর অন্যতম। বিশ্বে অগণিত সফল জ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী, টেকনিশিয়ান ও অনুরূপ সফল মানুষের জীবন ও পরিবার ধ্বংস হয়েছে মদের কারণে। দিনে দিনে এই সমস্যা আরো প্রকট হয়ে উঠছে। একটা পরিবারে একজন সদস্য মাদকাসক্ত হয়ে পড়লেই সেই পরিবারে নেমে আসে বিভীষিকাময় পরিবেশ।

মাদক কী? মাদক এমন একটি দ্রব্য, যা খেলে নেশা হয়। গাঁজা, ফেন্সিডিল, চরস, ভাং, গুল, জর্দা, হেরোইন, প্যাথেড্রিন, মদ, ইয়াবাসহ সবই মাদকের অন্তর্ভুক্ত। যখন কেউ এসব দ্রব্যাদির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখনই তাকে মাদকাসক্ত বলা হয়।

১৯৮৯ সালে প্রণীত বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদকাসক্ত বলতে, শারীরিক বা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারীকে বোঝানো হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এভাবে মাদকাসক্তির সংজ্ঞা দিয়েছে।

কেন এই আসক্তি? মানুষকে মাদকাসক্তির দিকে পরিচালিত করার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অস্বাভাবিক প্রতিযোগিতা, সামাজিক অস্থিরতা, উত্তেজনা, একঘেয়েমি, একাকিত্ব এবং পারিবারিক কাঠামো পরিবর্তনের পরিবেশে ব্যর্থতার সঙ্গে লড়াই করতে অক্ষমতা।

তবে মাদকাসক্তদের সংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ হলো মাদকের সহজলভ্যতা। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ব্যাপক উন্নয়ন এবং ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, সামাজিক সচেতনতার অভাব ইত্যাদিও মাদকের সমস্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী। পারিবারিক কলহ, ডিভোর্সের কারণে ভেঙে যাওয়া পরিবার, প্রেম ও চাকরিতে ব্যর্থতা থেকে হতাশার কারণেও মাদকাসক্তের হার বাড়ছে। বেশির ভাগ মাদক ব্যবহারকারী বন্ধুবান্ধবের পাল্লায় পড়াকে প্রধান ‘পুল ফ্যাক্টর’ হিসেবে দোষারোপ করেছেন। প্রথমবারের মতো মাদক গ্রহণের জন্য কৌতুহল অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে।

মাদকাসক্তির বিভিন্ন কারণ
১. সমবয়সীদের চাপ, ২. হাতের কাছে মাদকদ্রব্য পাওয়া অর্থাৎ মাদকের সহজলভ্যতা, ৩. বেকারত্ব ও কর্মক্ষেত্রে ব্যর্থতা, ৪. আর্থসামাজিক অস্থিরতা, ৫.মাদকের কুফল সম্পর্কে অজ্ঞতা, ৬. সমাজে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, ৭. পারিবারিক কলহ, ৮. চিকিৎসা সৃষ্ট মাদকাসক্তি, ৯. কৌতুহল, ১০. ধূমপান।

মাদক ব্যবহারে শরীরে স্বল্পমেয়াদি প্রতিক্রিয়া : মাদক রক্তচাপ কমায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মাত্রা হ্রাস করে। মাদক সেবনে ক্ষুধা ও যৌন অনুভূতি দ্রুত হ্রাস পায়। মতি বিভ্রম ঘটে এবং তার মধ্যে সন্ত্রস্ত ভাব দেখা যায়। শ্বাস-প্রশ্বাস ক্ষীণ থেকে ক্ষীনতর হয়। মাদকসেবী ক্রমে ক্রমে নিস্তেজ এবং অবসন্ন হয়ে যায়। হূদস্পন্দন বৃদ্ধি পেলে রক্তচাপও বৃদ্ধি পায়। চলাফেরায় অসংলগ্নতা ধরা পড়ে। স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের ক্ষমতা সাময়িক হ্রাস পায়। তাই যেকোনো মুহূর্তে জীবন বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। চোখ লালচে হয় এবং মুখ শুকিয়ে যায়। উগ্র মেজাজ, নিদ্র্র্রাহীনতা ও রাগান্বিত ভাব দেখা যায়। চামড়ায় ফুসকুড়ি, বমি বমি ভাব এবং নানা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অধিক মাত্রায় মাদকসেবী মাতালের মতো আচরণ করে এবং হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়ে।

মাদক ব্যবহারে শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া : স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে। এছাড়া মস্তিস্কে কোষের ক্ষয় প্রাপ্তি ঘটতে পারে। স্মৃতি শক্তি লোপ পায়। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা জ্ঞান লোপ পায়। জীবনের সব বিষয় নিরাসক্ত হয়ে পড়ে। কোনো কোনো মাদকদ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। মাদকাসক্ত মেয়েদের গর্ভের সন্তানের ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং সন্তানও মাদকাসক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মাদক ব্যবহারে কারণে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়
১. মাদক ব্যবহারে অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ক্ষতি : শ্বাস, প্রণালীতে ক্ষতি, খুসখুসে কাশি থেকে যক্ষা, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, ক্যান্সার, শ্বাস-প্রশ্বাস ক্ষীণ হওয়া।

২. চোখের ক্ষতি : চোখের মনি সঙ্কুচিত হওয়া, দৃষ্টি শক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া।

৩. লিভারের ক্ষতি : জন্ডিস, হেপাটাইটিস, সিরোসিস ও ক্যান্সার।

৪. কিডনির ক্ষতি : কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, ঘন ঘন সংক্রমণ হওয়া, পরিশেষে কিডনি অকার্যকর হয়ে যাওয়া, হূদযন্ত্রের কার্যকারীতা হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি।

৫. হূদযন্ত্র ও রক্ত প্রণালীতে ক্ষতি : হূদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া, হূদযন্ত্র বড় হয়ে যাওয়া, হূদযন্ত্রের কার্যকারীতা হ্রাস পাওয়া।

৬. রক্ত কণিকার সংখ্যায় পরিবর্তন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, রক্তস্বল্পতা ইত্যাদি।

৭. খাদ্য প্রণালীতে ক্ষতি : রুচি কমে যাওয়া, হজম শক্তি হ্রাস পাওয়া, আলসার, এসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্যান্সার ইত্যাদি।

৮.ত্বকের ক্ষতি : ভিটামিন ও পুষ্টির অভাবে ত্বক হয়ে উঠে খসখসে শুস্ক। চুলকানি, ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হওয়া, ফোঁড়া, ঘা ইত্যাদি।

৯. যৌন ক্ষমতা ও প্রজননের ক্ষতি : যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, যৌন স্পৃহা কমে যাওয়া, বিকৃত শুক্র থেকে বিকৃত সন্তানের জন্ম, সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা।

১০. সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়া। মেয়েদের ক্ষেত্রে এ প্রভাব আরো মারাত্মক। গর্ভের সন্তান বিকৃত হয়ে যাওয়া, মৃত সন্তান প্রসব করা, জকোলীন শিশুর স্বল্প ওজন, জন্মের সাথে সাথেই নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হওয়া। মস্তিস্ক ও স্নায়ুতন্ত্র এবং

১১. মানসিক ক্ষতি : নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রলাপ বকা, আত্মহত্যার প্রবণতা, পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে অসচেতনতা, মাথা ঘুরানো, চিন্তা শক্তি লোপ পাওয়া, অমনোযোগিতা, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, স্মরণশক্তি কমে যাওয়া, অস্থিরতা ও অধৈর্য অবস্থা, ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, উদ্বেগ, ভয় পাওয়া, বিষন্নতা ইত্যাদি মানসিক রোগ দেখা দেয় অনেক ক্ষেত্রে।

পারিবারিক কর্তব্য : পারিবারিকভাবে মাদক বা ড্রাগসেবীদের চিহ্নিত করতে পারলে তাদের উচিত কাজ হলো মাদকে আসক্তির মূল কারণ খুঁজে বের করা। প্রেমঘটিত কোনো কারণ হলে এর সুস্থ সুন্দর সমাধান দেয়া। মানসিক পারিবারিক চাপ প্রয়োগ না করে তাকে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধনে আরো নৈকট্যে নিয়ে আসা। পরিবারের কেউ অন্তত তার খুব কাছাকাছি হওয়া এবং বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়া।

মাদক সেবনে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ গুলো হলো মাদক জীবন থেকে জীবন কেড়ে নেয়। মাদক সেবন ভীষণ ক্ষতিকর। একজন মানুষের ব্যক্তি জীবন এবং সামাজিক জীবনকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এটি। নিয়মিত মাদক সেবনের ফলে ব্যক্তির মেজাজ-মর্জি, বিচার-বিবেচনা এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণহীনতা, আবেগের উচ্চমাত্রা পরিবর্তন প্রভৃতি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যার কারণে ব্যক্তিগত সমস্যার পাশাপাশি পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হয়। আসুন জেনে নেই মাদক সেবনে কী কী মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি হয়।

সম্পর্কের অবনতি : নিয়মিত মাদক সেবনের ফলে ব্যক্তির মেজাজ দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ফলে তারা অল্পতেই বিরক্ত হয় এবং রেগে যায়। যার কারণে অন্যদের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অবনতি হয় এমনকি কারো কারো সাথে বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয়ে যেতে পারে। আমাদের দেশে প্রায়ই শোনা যায় মাদকসেবীদের হাতে পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

বিচার-বিবেচনা লোপ পায় : নিয়মিত মাদক সেবনের ফলে ব্যক্তির সুস্থ চিন্তা-চেতনা সম্পূর্ণ লোপ পায়। যার কারণে কোনো ঘটনা বা পরিস্থিতি কিংবা কোনো বিষয়ে সঠিক বিচার-বিবেচনা, মূল্যায়ন কিংবা বিশ্লেষণ এবং অনুধাবন করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে না।

সিদ্ধান্ত হীনতা : মাদক গ্রহণের ফলে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়। বিচার-বিবেচনা লোপ পাওয়ায় সঠিক সিদ্ধান্তটি সঠিক সময়ে নিতে পারে না তারা। যেকোনো বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং আত্মমর্যাদাবোধ বিলুপ্ত হয়।

* আসক্তি : যারা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে তারা নিজের পরিবারের জন্য যেমন একটি মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা তৈরি করে একই সাথে অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে ওই পরিবারগুলোকে দারুণভাবে ক্ষতির মধ্যে ফেলে দেয়। সমাজের বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে এরা সহজে জড়িয়ে পড়ে।

আত্মনিয়ন্ত্রণ হারানো : মাদকাসক্ত ব্যক্তির নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। যদিও সে বুঝতে পারে যে কাজটি করছে তা অন্যায় হচ্ছে তবুও সে নিজেকে অন্যায় থেকে নিবৃত করতে পারে না। আর ধীরে ধীরে তার অন্যায়ের মাত্রা বাড়তে থাকে, তবুও সে নিজেকে অন্যায়ের পথ থেকে ফেরাতে পারে না।

উদ্বিগ্ন : নিয়মিত মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বদা একটা উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা বিরাজ করে। তাদের মন-মানসিকতা দ্রুত পরিবর্তিত হয়। যেমন— এই খুব উৎফুল্ল আবার এই খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। ফলে কোনো কাজ একাগ্রচিত্তে করতে পারে না।

কাজে আনন্দ লোপ পাওয়া : মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি কোন কাজে উৎসাহ পায় না। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার আনন্দ আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে থাকে। আর কোনো কাজ করেই তখন সে আর আনন্দ বা আগ্রহ পায় না।

বিপজ্জনক কাজে জড়িয়ে পড়ে : মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি ক্রমান্বয়ে মারাত্মক বিপজ্জনক কাজ করতে শুরু করে। যেমন— রাস্তায় বেপড়োয়া গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য প্রভৃতি কাজগুলো দিন দিন বেড়ে যাবে। যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা, অকাল মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে থাকে।

পরিশেষে বলতে চাই, সীমান্তে মাদক-চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। কারণ আমাদের দেশ মাদক-চোরাচালানের রুটগুলোর মাঝামাঝি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের (১৯৯০) ধারাগুলো সময়োপযোগী করে এর যথাযথ প্রয়োগ ও কঠোর বাস্তবায়ন করা গেলে মাদকের অপব্যবহার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

মাদক-ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারীরা দেশ ও জাতির সবচেয়ে বড় শত্রু। এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। মাদকব্যবহারের ধ্বংসাত্বক প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

Link copied!