ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

যানবহনে উঠা ও আরোহণের সময় পরিবারসহ দোয়া, সুরক্ষা-আল্লাহর কাছে আশ্রয়

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ০৫:২০ পিএম

যানবহনে উঠা ও আরোহণের সময় পরিবারসহ দোয়া, সুরক্ষা-আল্লাহর কাছে আশ্রয়

ইসলামে প্রতিটি কাজে আল্লাহর স্মরণ ও দোয়া করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন আমরা যানবহনে উঠি বা যাত্রা শুরু করি, তখন দৈনন্দিন জীবনের ঝুঁকি ও বিপদের মধ্যে আল্লাহর সুরক্ষা কামনা করা সুন্নাহ। একই সঙ্গে পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য দোয়া করা আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো মানুষ যাত্রা শুরু করার আগে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলে সে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়। দোয়া শুধু শারীরিক সুরক্ষা নয়, বরং মানসিক শান্তি, আত্মবিশ্বাস এবং আল্লাহর ওপর ভরসার চিহ্ন।

অজু বা পবিত্রতা: যাত্রার পূর্বে অজু বা অন্তত নিয়মিত পবিত্রতা রাখা উত্তম। এটি আমাদের ইবাদত ও নৈতিক মানসিকতার প্রতিফলন।

নিয়ত ও তওবা: যাত্রা শুরু করার আগে অন্তরে সঠিক নিয়ত স্থাপন করুন, “আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য এই যাত্রা শুরু করছি, তাঁর সুরক্ষা কামনা করছি।”

পরিবারের জন্য দোয়া: যাত্রা শুরু করার আগে পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করা উত্তম। এটি দোয়ার মাধ্যমে পরিবারের জন্য নেক আমল (সৎ কাজ) অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করে।


রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন, যখন যানবহনে ওঠা হয়, বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কাল্তু আলাল্লাহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। অর্থ: আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করি। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।

এই দোয়া ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং যাত্রার প্রতিটি ঝুঁকি থেকে মুক্তি প্রার্থনার মাধ্যম।

যাত্রা শুরু করার সময় পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য দোয়া পড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, আল্লাহুম্মা হাফিজ আলাইয়া ওয়া আলা আহলি ওয়াজমা’না ফি মমাতিনা। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে এবং আমার পরিবারকে সুরক্ষা দাও এবং আমাদেরকে শান্তিপূর্ণ জীবন দাও।

পরিবারের জন্য দোয়া কেবল সুরক্ষা নয়, এটি নেক আমল (সৎ কাজ) অর্জনের মাধ্যম এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি ইসলামের দায়িত্বের প্রকাশ।

শান্তি ও বিনয় (খুশু) বজায় রাখা: যাত্রাকালে আল্লাহর স্মরণ এবং দোয়া করা মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

সতর্কতা ও নিয়মিত প্রার্থনা: যাত্রার প্রতিটি সময় সতর্ক থাকা এবং দোয়া করা ঝুঁকি হ্রাস করে।

দূরদর্শিতা ও সুরক্ষা: ড্রাইভার বা যাত্রীর দিক থেকে নিরাপদ আচরণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

যাত্রার শেষে কৃতজ্ঞতা: গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা সুন্নাহ। উদাহরণস্বরূপ, আলহামদুলিল্লাহি যুৎমু ওয়াসালাম। অর্থ: আল্লাহকে ধন্যবাদ, আমি নিরাপদে পৌঁছেছি।

আল্লাহর ওপর ভরসা: প্রতিটি যাত্রা আমাদের শেখায় আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখা।

পরিবারের জন্য দায়িত্ববোধ: পরিবারের সুরক্ষা ও কল্যাণের জন্য দোয়া করা মুসলিমের নৈতিক দায়িত্ব।

সতর্কতা ও সাবধানতা: দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বজায় রাখা ঈমানের অংশ।

যানবহনে উঠা ও আরোহণের সময় দোয়া আমাদের জীবনের ঝুঁকি হ্রাস করে, মানসিক শান্তি দেয় এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি মহিমান্বিত সুযোগ। পরিবারের জন্য দোয়া করা কেবল প্রিয়জনদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে না, বরং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নেক আমল (সৎ কাজ) হিসেবেও গণ্য হয়। প্রতিটি মুসলিমের উচিত যাত্রার আগে এবং চলাকালীন সময়ে এই সুন্নাহসম্মত দোয়া ও তওবা পালন করা, যাতে জীবনের প্রতিটি যাত্রা নিরাপদ, বরকতময় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগে পরিণত হয়।

জেএইচআর

Link copied!