ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

মিসরের ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ

স্পোর্টস ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

জুলাই ৪, ২০২৬, ১২:১১ পিএম

মিসরের ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে মিসর। এই ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ জয়টি যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণের প্রতি উৎসর্গ করেছেন দলটির কোচ হোসাম হাসান। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাঁর এই আবেগঘন বার্তা দ্রুতই আন্তর্জাতিক ফুটবলপাড়ায় আলোচনায় আসে, যার পর গাজা উপত্যকায়ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তুমুল উচ্ছ্বাস ও আনন্দের দৃশ্য দেখা গেছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় শেষে মিসর ও অস্ট্রেলিয়ার খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় আফ্রিকার দেশ মিসর, যা ফুটবল বিশ্বকাপে তাদের নকআউট পর্বের ইতিহাসের প্রথম জয়।

ম্যাচের শুরুতে, খেলার ১৩তম মিনিটে ইমাম আশুরের চমৎকার এক হেডে এগিয়ে যায় মিসর। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে ম্যাচ সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে মিসরের হয়ে জয়সূচক পেনাল্টি থেকে সফল গোল করেন হোসাম আবদেলমাগুইদ। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সাউটার ও লুকাস হেরিংটনের শট ব্যর্থ হলে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হয় মিসরের।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত কোচ হোসাম হাসান বলেন, আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন এবং শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। এই জয় আমি মিসরের সাধারণ জনগণ এবং ফিলিস্তিনের সম্মানিত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।

জয়ের ঠিক পরপরই মাঠের ভেতরে মিসর ও ফিলিস্তিনের পতাকা এক সাথে উঁচিয়ে ধরে উদযাপন করেন কোচ হাসান। দলের খেলোয়াড়রাও মাঠের মধ্যে সিজদায় নত হয়ে এই ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপন করেন।

কোচ হোসাম হাসানের এই মন্তব্য ও উদযাপনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গাজার বহু বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি সমর্থক মিসরের এই জয়ে নিজেদের ফেসবুক ও এক্সে (সাবেক টুইটার) আনন্দ প্রকাশ করেন।

গাজার বাসিন্দা তামের নাহেদ এক্সে লেখেন, জীবনে প্রথমবার এত উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বকাপ দেখছি। মিসরের জয় আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছে। সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য ছিল ধ্বংসস্তূপ আর তাঁবুর মাঝেও মানুষ এক সাথে খেলা দেখছে, হাসি-উল্লাস করছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, গাজার ধ্বংসস্তূপের পাশে অস্থায়ী পর্দায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে খেলা উপভোগ করছেন শত শত মানুষ। অনেক শিশুর মুখে আঁকা ছিল মিসরের জাতীয় পতাকা। গোলের চূড়ান্ত মুহূর্তে পুরো পরিবেশ উল্লাসে ভরে ওঠে। চলমান যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবল খেলাটি সেখানে কিছুক্ষণের জন্য অনাবিল আনন্দের সুযোগ এনে দেয়।

জেএইচআর

Link copied!