ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

জুলাই শহীদ স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৪, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

জুলাই শহীদ স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী

রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণ এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’। 

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই বিশেষ স্মরণসভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূলমন্ত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের ব্যানারে লেখা রয়েছে—‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এই স্মরণসভায় অংশ নিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মৃতিচারণা আর শ্রদ্ধার এই আয়োজনে আরও উপস্থিত আছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট টেনে অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হয়, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষমেশ সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারী সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রূপ নেয়। ৩৬ দিনের সেই ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে পুরো দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলন দমাতে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে গুলি, টিয়ারশেল ও চরম বলপ্রয়োগ করা হয়। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রথমে ফেসবুক এবং পরে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হলেও তা হিতে বিপরীত হয়। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর এই আন্দোলন গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। আবু সাঈদকে এই আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সম্মান জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত রক্তপাত শুরু হওয়ার ২০ দিনের মাথায় পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের।

উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!