ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মশক নিধনে ক্র্যাশ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

অক্টোবর ২০, ২০২২, ০১:০৬ এএম

মশক নিধনে ক্র্যাশ অভিযান

এডিস মশক নিধনে ক্র্যাশ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে মশা নিধনের জন্য ফগিং থেকে শুরু করে তরল ওষুধ ছিটানোর কাজ করছে সংস্থাটি। অভিযানে যেসব বাড়ির মালিকদের অবহেলার কারণে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে, তাদের অর্থদণ্ড করছে ডিএনসিসি।

তবে অভিযান চলা এলাকার স্থানীয়রা বলছেন, সিটি কর্পোরেশনের এই অভিযান মূলত আই ওয়াশ। এডিস মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশনের তেমন কার্যক্রম সাধারণত সব সময় দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে ফগিং করা হলেও বেশিরভাগে সময় তাও দেয়া হয় না।

এছাড়া তরল ওষুধ ছিটানো হয় না বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তারা আরও বলেন, অধিকাংশ বাড়ির মালিক বা বাসিন্দা সঠিকভাবে কোনো তথ্যই জানেন না এডিস মশা প্রতিরোধে কী কী করতে হবে। বাসা বাড়ির ফুলের টবের পানি পরিষ্কার মালিকরা নিজ উদ্যোগে করলেও ম্যানহোল বা বাড়ির পাশের জমে থাকা বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনায় যে মশা সৃষ্টি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে নেই কোনো কার্যক্রম। ফলে মশা সৃষ্টি হচ্ছে এবং মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর মগবাজার ও দিলু রোড এলাকায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। এসময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান।

অভিযানে দিলু রোডের দুটি বাড়ির ম্যানহোলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় মালিকদের মোট দুই লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অর্থদণ্ড করা দুই মালিকের মধ্যে একজন হচ্ছেন গোলাম কবীর। তার বাসার গেটের সামনে ম্যানহোলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

তিনি বলেন, ড্রেনেজ সিস্টেমের কারণে তার বাসার ম্যানহোল থেকে পানি না নেমে জমে থাকে। এতে করে জমা পানিতে মশার সৃষ্টি হয়। তারপরও আমি একাধিকবার ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন ছিটিয়েছি, কিন্তু মশা মরেনি। পানি ম্যানহোল থেকে না নামলে এতে আমার কী দোষ।

এদিকে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মো. মামুন বলেন, ডিএনসিসিকে কখনোই দেখি না এসে মানুষজনকে সচেতন করতে বা মশা নিধনে ওষুধ ঠিকভাবে ছিটাতে। দিলু রোডের প্রতিটি বাসায় ঠিকভাবে অভিযান চালালে দেখা যাবে সব জায়গায় মশা রয়েছে। এক দিন এসে অভিযান পরিচালনা করে গেলে তো এ সমস্যার সমাধান হবে না।

বর্তমান অবস্থায় প্রতিদিন মশক নিধনের ওষুধ ছিটাতে হবে এবং বাড়ির মালিকদের সচেতন করতে হবে, তাহলে সুফল পাওয়া যাবে। আর লোক দেখানো এসব অভিযান কোনো কাজে আসবে না। তবে সিটি কর্পোরেশন বলছে, তারা নিয়মিত মশক নিধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

এছাড়া মানুষকে সচেতন করতে যা যা করা দরকার, তারা তা-ই করছেন। এ সময় অভিযানে উপস্থিত থাকা ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা বলেন, যেখানেই এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এছাড়া এডিস মশা বিষয়ে বিশেষ সতর্ক করার জন্য আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করছি।

তিনি বলেন, এডিস মশা পরিত্যক্ত পাত্রে তথা চিপসের প্যাকেট, ডাবের খোসা, ছাদবাগান, ফুলের টবে জমে থাকা পানিতে জন্মায়। নগরের প্রত্যেকে যদি সচেতন হন, তাহলে এ এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন তার নিজস্ব কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

Link copied!