ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

নবীনগর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

নবীনগর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

অক্টোবর ২৬, ২০২৪, ০১:৫৯ পিএম

নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কুড়িঘর গ্রামবাসীর উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে কুড়িঘর উচ্চ বিদ্যালয় এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাঠি খেলাটি দেখার জন্য নাটঘর ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত হয়।

ঢাক, ঢোল আর সানাইয়ের শব্দে চারপাশ আলোড়িত হয়। বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-নেচে লাঠি খেলে নানান অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জনজীবনের নানা দিক প্রদর্শন করে লাঠিয়ালরা।

তারপরই শুরু হয় লাঠির কসরত। প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়ার অসাধারণ দৃশ্য দেখেন উপস্থিত দর্শকরা। দর্শকদের করতালি আর হৈ-হুল্লোড়ে আরো জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠে লাঠি খেলার আসর। এই লাঠিখেলায় কুড়িঘর গ্রামের একটি লাঠিয়াল বাহিনী দল অংশগ্রহণ করেন।

কুড়িঘর মাঠ কমিটির সভাপতি মো. নান্নু মিয়ার সভাপতিত্বে ও মো: জাকির সরদার এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমেরিকা প্রবাসী মাহি এম কাউছার। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি নেতা ডা. মহি উদ্দিন মহিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. মেহেদী হাসান, সাংবাদিক মমিনুল হক রুবেল, সাংবাদিক এসএম অলিউল্লাহ, কামাল মেম্বার প্রমুখ।

কুড়িঘর লাঠি খেলার সরদার আব্দুল আহাদ বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের লাঠি খেলা রয়েছে। আগে গ্রামের সাধারণ মানুষ বাংলা বর্ষবরণ, বিবাহ, চড়ক পূজা, সুন্নতে খৎনা ইত্যাদি উপলক্ষ্যে লাঠি খেলার আয়োজন করতেন। এখন আর সেইভাবে আয়োজন করা হয় না।

আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা বিলুপ্তি হওয়ার কারণে এর খেলোয়াড় সংখ্যাও দিনদিন কমে যাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে না নতুন কোন খেলোয়াড়। আর পুরোনো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা পূর্বের মত লাঠি খেলা দেখাতে পারছে না। তারপরও তারা এই বয়সে দারুণ খেলা প্রদর্শন করেছেন। এই খেলার মাধ্যমে যুবসমাজ বিনোদন পেয়ে মাদক ছেড়ে এই বিনোদনে আগ্রহী হবে। তাই ঐতিহ্যবাহী এই লাঠিখেলা ধরে রাখতে বিনোদনের খোরাক জোগানোর জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বিআরইউ

Link copied!