ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সম্প্রীতি বজায় রেখে যার যার ধর্ম পালন করুন: জেলা প্রশাসক

গুইমারা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

গুইমারা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫, ০৬:৫৭ পিএম

সম্প্রীতি বজায় রেখে যার যার ধর্ম পালন করুন: জেলা প্রশাসক

শারদীয় দুর্গাপূজা ও কঠিন চিবরদানোৎসবের আগে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে খাগড়াছড়ির গুইমারায় একটি সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সভায় উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং সাংবাদিক ও ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাটি গুইমারা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সোহাগ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মো. রফিকুল ইসলাম, ইসলামি আন্দোলনের সভাপতি মো. মাগফার হোসেন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কারী মুহাম্মদ ওছমান গনী, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দিন, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবলু হোসেন, ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহাম্মদ জায়নুল আবদীন, প্রেসক্লাব সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আলী, বাজার সভাপতি দিদারুল আলম বাবুল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ আলমসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় বক্তারা বলেন, ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকা উচিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “ধর্মীয় উৎসব পালনের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। আসন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে সবাইকে একে অপরের সহযোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাই।”

ইএইচ

Link copied!