ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বগুড়ায় আলুর দাম নিয়ে শঙ্কা, তবুও চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া প্রতিনিধি

নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ০২:১৯ পিএম

বগুড়ায় আলুর দাম নিয়ে শঙ্কা, তবুও চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

বগুড়ার হিমাগারগুলোতে এখনো বিপুল পরিমাণ আলু মজুদ রয়ে গেছে। বাজারে দাম কম থাকায় বিক্রিতে লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবুও শঙ্কা মাথায় নিয়ে নতুন মৌসুমে আলু চাষে নেমে পড়েছেন চাষিরা। ফলন বেশি হওয়ায় গত মৌসুমে আলুর দর ব্যাপকভাবে কমে যায়। লোকসান এড়াতে হিমাগার থেকে অনেকেই আলু উত্তোলন না করায় এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ আলু পড়ে আছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে বগুড়ায় ৬০ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে আলু উৎপাদন হয়, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ হাজার ১৭৫ হেক্টর বেশি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৯১০ টন, কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন। অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম পড়ে গিয়ে লোকসানের মুখে পড়েন কৃষকরা।

বগুড়ায় ৪২টি হিমাগারে প্রায় সাড়ে চার লাখ টন আলু সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এখনও গত বছরের অনেক আলু বের হয়নি। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ১৮ থেকে ২৫ টাকা।

চলতি মৌসুমে জেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৯২৫ হেক্টরে চাষ শুরু হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে সব জমিতে আবাদ শেষ হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭০ মেট্রিক টন ফলনের।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা—জমি প্রস্তুত করা, বীজ বপন ও মই দেওয়া চলছে পুরোদমে। জানুয়ারির শেষ দিক থেকে বাজারে নতুন আলু পাওয়া যাবে বলে আশা কৃষি কর্মকর্তাদের।

হিমাগার মালিকরা বলছেন, আলু বের না হওয়ায় তারাও ক্ষতির মুখে। অনেক কৃষক ও ব্যবসায়ী হিমাগারের ভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না। গত বছর যেখানে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন ও সংরক্ষণ খরচ ছিল ২৪–২৬ টাকা, সেখানে বিক্রি করতে হয়েছে ১২–১৫ টাকায়।

বগুড়া সদর উপজেলার চাষি জহুরুল ইসলাম বলেন, গত বছর আলু বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, খরচও ওঠেনি। এবার উৎপাদন খরচ আরও বেড়েছে। দাম না উঠলে আবারও বড় ক্ষতি হবে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ জানান, চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর। কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষকরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছি।

জেএইচআর

Link copied!