ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

শালিখায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মার্চ ৩০, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

শালিখায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১

মাগুরার শালিখা উপজেলায় একই রাজনৈতিক বলয়ের ভেতরে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবার প্রকাশ্যে রক্তাক্ত সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কাজী সলিমুল হক কামাল এবং যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শালিখা থানাধীন আড়পাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে ভিকটিমের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রাথমিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও পাল্টাপাল্টি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত রাফসান (২২), পিতা মৃত পান্নু মোল্লা, আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে গুরুতর অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার মাথায় আঘাতের ক্ষতস্থানে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত রুবেল বিশ্বাস (২৭), পিতা মৃত একতার বিশ্বাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শালিখা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. সজিব বিশ্বাস (২৫), পিতা হেমায়েত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি থেকে মারামারির সূত্রপাত হয়।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অভিযুক্ত রুবেল বিশ্বাস এবং ছাত্রদল নেতা সজিব বিশ্বাস, উভয়েই বিএনপির একই রাজনৈতিক বলয়ের হলেও ভিন্ন দুই প্রভাবশালী গ্রুপের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। স্থানীয়রা জানান, কাজী সলিমুল হক কামাল ও যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বাধীন দুটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। 

সেই দ্বন্দ্বই এবার সরাসরি সহিংসতায় রূপ নিল। ঘটনার সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয়রা হস্তক্ষেপ না করলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে গড়ে ওঠা এসব গ্রুপ কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রশাসনের দৃশ্যমান কঠোর অবস্থান না থাকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। একই বলয়ের ভেতরে এমন সংঘর্ষ কেবল দলীয় শৃঙ্খলার ভাঙন দেখাচ্ছে না, বরং পুরো এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এদিকে, ঘটনার পরও কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। 

শালিখা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আধিপত্যের এই দ্বন্দ্ব যেকোনো সময় আবারও বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে।

এএন

Link copied!