ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

লালমনিরহাটে মাদ্রাসা সুপারকে মারধর ও বিবস্ত্র করার অভিযোগ

মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট

মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট

এপ্রিল ১, ২০২৬, ০১:২১ পিএম

লালমনিরহাটে মাদ্রাসা সুপারকে মারধর ও বিবস্ত্র করার অভিযোগ

লালমনিরহাটের আদিতমারিতে এক মাদ্রাসা সুপারকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

গত সোমবার দুপুরে আদিতমারি উপজেলার দৈলজোড় দাখিল মাদ্রাসার সুপার তাজুল ইসলামকে মাদ্রাসার বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাসা থেকে ডেকে নিয়ে বেধরক মারধোর করার পর টেনে হিঁচড়ে পাঞ্জাবি ছিড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জানা যায়, পশ্চিম দৈলজোড় এলাকার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন রুবেল এমন নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। রিয়াজ উদ্দিন রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানায়, মাদ্রাসা সুপারকে লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরির জন্য চার লাখ ষাট হাজার টাকা দিয়েছেন। তবে তার কাছে কোনো প্রমাণ নেই।

এদিকে, মাদ্রাসা সুপার তাজুল ইসলাম বলেন, “লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরির জন্য আমি কোনো টাকা গ্রহণ করিনি। রিয়াজ উদ্দিন রুবেল ওই টাকা আদিতমারি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন মাদ্রাসা সভাপতি রফিকুল ইসলাম আলমকে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর রফিকুল আলম পলাতক থাকায় রিয়াজ উদ্দিন রুবেল আমার কাছে অবৈধভাবে টাকা দাবি করে আসছেন।”

এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার বাদী হয়ে একই দিন আদিতমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, রিয়াজ উদ্দিন রুবেল স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে মাঝে মাঝে তার কাছ থেকে টাকা দাবি করে এবং চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিয়েছে।

মাদ্রাসা সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার বলেন, “মাদ্রাসা সুপারের টাকা নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। একজন শিক্ষককে এভাবে মারধরের বিষয় অত্যন্ত নিন্দনীয়। মাদ্রাসা সুপারকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে ব্যক্তি টাকা দাবি করেছে, তিনি প্রমাণ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারতেন বা আমাকে জানাতে পারতেন। একজন শিক্ষককে এভাবে লাঞ্ছিত করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।”

উল্লেখ, শিক্ষককে মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে এভাবে মারধর করার ফলে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এএন

Link copied!