ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মমেক হোস্টেলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ কলেজ বন্ধ ঘোষনা

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম

মমেক হোস্টেলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ কলেজ বন্ধ ঘোষনা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) বাঘমারা ছাত্র হোস্টেলে ছাত্রদের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাস ও হোস্টেল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাত দিনের জন্য কলেজের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিতসহ হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলেজের এম-৬১ ব্যাচের ছাত্র হামিদুর রহমান (২২) ও আসাদুল্লাহ মোয়াজের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিতণ্ডা শুরু হয়।

হামিদুর রহমান ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রোতাবের এবং আসাদুল্লাহ মোয়াজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। শুরুতে হামিদুর তাঁর রুমে নিয়ে মোয়াজকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এর কিছুক্ষণ পর মোয়াজ রড নিয়ে এসে হামিদুরকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালালে তাঁর মাথা ফেটে যায়। সহপাঠীরা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী বাঘমারা হোস্টেলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। রাত ১১টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত মোয়াজকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় হোস্টেল গেটেই পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের বেষ্টনীর মধ্যেই নাফিউল নামের এক জুনিয়র ছাত্র মোয়াজের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় মোয়াজ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসকদের মতে, মোয়াজের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর। এই ঘটনায় নাফিউলকে আটক করেছে পুলিশ।

রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. মতিউর রহমানসহ ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ঘটনার পর একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, শনিবার (১৮ এপ্রিল) থেকে আগামী সাত দিনের জন্য কলেজের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে সকল ছাত্র-ছাত্রীকে হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজমুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে হোস্টেল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জেএইচআর

Link copied!