ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

শ্বশুরবাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ৬, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম

শ্বশুরবাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

কুমিল্লার একটি আবাসিক ভবন থেকে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর দেশওয়ালিপট্টি এলাকার ‘কাসেম গার্ডেন’ ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে জান্নাতুন নাঈম ফারিহা (২৩) নামের ওই শিক্ষার্থীর দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নিহত ফারিহা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নাঙ্গলকোট উপজেলার কানগাঁও গ্রামের মো. হানিফ মিয়ার মেয়ে। প্রায় আট মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেশওয়ালিপট্টি এলাকার মেহেদী হাসানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, মঙ্গলবার বিকেলে ফারিহা নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘটনার পর থেকেই ফারিহার স্বামী মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছেন।

নিহতের বাবা মো. হানিফ মিয়া অভিযোগ করেছেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুক ও টাকার জন্য ফারিহার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো। তিনি দাবি করেন, জামাতা মেহেদী বেকার ও নেশাগ্রস্ত ছিলেন। ফারিহা প্রাইভেট পড়িয়ে যে টাকা আয় করতেন, তা-ও কেড়ে নেওয়া হতো। তার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ফারিহার অকাল মৃত্যুতে সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল নাছের এই মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা মনে হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!