বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মে ১০, ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর এলাকায় রবিউল ইসলামের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলা নং-৮। গত শনিবার গভীর রাতে বোয়ালমারী থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলায় পূর্বে আদালতে চালান দেওয়া দুই আসামিসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত রবিউল ইসলামের বাবা গোলাম সারোয়ার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার ৫ মে রাত ৮টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর এলাকার গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের পাশ থেকে পুলিশ রবিউল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে। রবিউল ইসলাম মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের গোলাম সারোয়ার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিন্দাইন গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে সাদিয়ার বিয়ে হয় বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটখোলারচর গ্রামের হানিফ শেখের ছেলে শহিদ শেখের সঙ্গে। শহিদ শেখ শ্বশুরবাড়ি থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসেন। সেই মোটরসাইকেল ফেরত নিতে শহিদুল ইসলাম রবিউল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে গত মঙ্গলবার হাটখোলারচর গ্রামে আসেন।
দীর্ঘ সময় সালিশ বৈঠকে সমাধান না হওয়ায় মোটরসাইকেল না নিয়েই শহিদুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর শহিদ শেখ ফোন করে শ্বশুরকে আবার আসতে বলেন। তারা ফিরে এলে শহিদুল ইসলাম তাদের বসিয়ে রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে লাশ প্রথমে ঘরে রাখা হয়। এরপর একটি প্রাইভেট কার এনে লাশ ও গাড়ি রাস্তার পাশে খাদে ফেলে দুর্ঘটনা বলে প্রচার করা হয়।
ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ চারজনকে আটক করে। তাদের মধ্যে বোয়ালমারী পৌরসভার তপু সাহা ও শাহজাহানকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তাদের মামলায় আসামি করা হয়।
এ ঘটনায় সিন্দাইন গ্রামের শহিদুল ইসলাম মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, হত্যা মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এম জি