ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

দৌলতপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

মে ২৩, ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

দৌলতপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। 

শনিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- বকুল, সুমন, আকাইলী ও কদভানু। তাঁরা সবাই স্থানীয়ভাবে বিএনপি-সমর্থিত প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে বকুল পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাতারপাড়া গ্রামে মালিথা বংশ ও মন্ডল বংশের মধ্যে জমিজমা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে আজ দুপুরে মালিথা বংশের কয়েকজন সদস্য ও সমর্থক একত্রিত হয়ে প্রতিপক্ষ মন্ডল বংশের আব্দুল হান্নানের ছেলে কর্নেলের কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ মোটর (ডিপ) ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। একই সঙ্গে তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

এ সময় কর্নেল ও তাঁর সমর্থকরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে বকুলের পায়ে গুলি লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সংঘর্ষে মালিথা বংশের বকুল, সুমন ও আকাইলী আহত হন। অপরদিকে, মন্ডল বংশের কর্নেলের মা কদভানু আহত হন। আহতদের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এই বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জেএইচআর

Link copied!