ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ঝিকরগাছায় পরকীয়ার বলি গৃহবধূ রিমু, স্বামীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

জুন ১০, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

ঝিকরগাছায় পরকীয়ার বলি গৃহবধূ রিমু, স্বামীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের রায়পটন গ্রামে গৃহবধূ সাবিয়া ইয়াসমিন রিমু (২০) এর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্তরা ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

নিহত সাবিয়া ইয়াসমিন রিমু একই ইউনিয়নের খোশালনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের দাবি, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি পারিবারিকভাবে রিমুর সঙ্গে শিহাব শাহরিয়ার রিয়াদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর রিমু জানতে পারেন, তার স্বামী মাদকাসক্ত এবং পরকীয়ায় জড়িত। এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিক সালিস বৈঠকও হয়।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতির অবনতি হলে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ দিকে রিমু বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ঈদুল আজহার কয়েকদিন আগে দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে তিনি আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত ৩ জুন সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে রিমুকে মারধর করা হয়। পরে তিনি মারা যান। ঘটনার পর বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।

খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি গত ৮ জুন নিহতের বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঝিকরগাছা আমলি আদালতে আরও একটি মামলা করেন।

মামলায় নিহতের স্বামী শিহাব শাহরিয়ার রিয়াদ, তার মা রেহেনা সুলতানা, বাবা শহিদুল ইসলাম এবং আসমাউল হুসনা কিয়াকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে সন্তানের মৃত্যুর বিচার দাবিতে নিহত রিমুর বাবা শফিকুল ইসলাম ও মা নার্গিস খাতুন যশোর প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এম জি

Link copied!