আটঘরিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি
জুন ১০, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার সুমাইয়া আক্তার আলো (১৮) নামে এক গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় যাওয়ার পর সাত দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুমাইয়া আক্তার আলোর বাবা আটঘরিয়া থানাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহর ছেলে আলামিন পাবনা সদর থানা ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক বছর আগে সুমাইয়া আক্তার আলোর সঙ্গে পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের শালাইপুর গ্রামের সবুর আলীর ছেলে সোহাগ আলী (২৮)-এর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
পরিবারের দাবি, গত ২ জুন ২০২৬ তারিখে সোহাগ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় যান। পরে ৫ জুন তিনি বাড়িতে ফিরে এসে জানান, ৩ জুন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে তার স্ত্রী নিখোঁজ হয়েছেন।
এ ঘটনায় পরিবারের আশঙ্কা, গৃহবধূ কোনো অজ্ঞাত স্থানে হারিয়ে গেছেন অথবা কোনো চক্রের মাধ্যমে বিপদের মুখে পড়েছেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযোগকারী আলামিন জানান, বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, তার জামাই সোহাগ আলী নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে চাকরি করতেন। সে সুবাদে স্বামী-স্ত্রী ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখান থেকেই তার মেয়ে নিখোঁজ হয়েছেন।
অভিযোগপত্রে স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে আটঘরিয়া উপজেলার দেবত্তোর এলাকার রাধাকান্তপুর গ্রামের সুমি খাতুন (৩৬), স্বামী কামাল,সহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এম জি