ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুকে সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তদন্তে মেলেনি সত্যতা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

জুন ২২, ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

ফেসবুকে সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তদন্তে মেলেনি সত্যতা

মাগুরার শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা খাতুনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য নথিপত্র, তথ্য-প্রমাণ বা ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলেই মনে হয়েছে।

সম্প্রতি “নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক প্রেক্ষাপট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম মাগুরা” নাম ব্যবহার করে একটি ফেসবুক পোস্টে শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ব্যাপক দুর্নীতি, ভাতাভোগীদের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে জানা যায়, ব্যক্তিকেন্দ্রিক একটি ফেসবুক আইডি থেকে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করতে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সায়েদুর রহমান মৃধা এবং সহকারী পরিচালক মো. জাহিদুল আলম শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে তদন্তে যান। তদন্তকালে তাঁরা কার্যালয়ের নথিপত্র, উপকারভোগীদের তথ্য, ভাতা ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পর্যালোচনা করেন।

তদন্ত শেষে উপপরিচালক মো. সায়েদুর রহমান মৃধা জানান, ফেসবুকে যে ধরনের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সমর্থনে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করে অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো তথ্য বা নথি মেলেনি।

সহকারী পরিচালক মো. জাহিদুল আলম বলেন, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা ভাতাভোগীদের মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে নিখুঁতভাবে তদন্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো মূলত ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা খাতুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। তদন্তে প্রকৃত বিষয়টি উঠে আসায় আমি প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞ।

সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই করা প্রয়োজন। ভিত্তিহীন অভিযোগ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিভাগ সবসময় সচেষ্ট। কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে প্রমাণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি জনস্বার্থের পরিপন্থী।

জেএইচআর

Link copied!