ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

চাঁদপুরে সীমানা প্রাচীর ভাঙায় অরক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবাদে মানববন্ধন

এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

জুন ২৫, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম

চাঁদপুরে সীমানা প্রাচীর ভাঙায় অরক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবাদে মানববন্ধন

চাঁদপুর সদরে সরকারি অর্থায়নে মাদ্রাসার নিজস্ব জায়গায় নির্মিত সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারি ওয়াল) ভেঙে ফেলার ফলে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনায় উপজেলার বালিয়া বাজার সংলগ্ন কাজিরবাজার দারুচ্ছুন্নাত নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে প্রতিবাদে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী ব্যানার হাতে নিয়ে ঘটনার নিন্দা জানান।

তারা অভিযোগ করেন, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ভেঙে ফেলা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মাদ্রাসাটির বাউন্ডারি ওয়াল ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র আট মাসের মাথায় সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। একটি গোপন মামলার রায়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মামলার বাদী মোস্তফা কারীর বাসা মাদ্রাসার পাশেই। তিনি গত ২৩ জুন পূর্ব কোনো নোটিশ ছাড়াই ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে মাদ্রাসায় উপস্থিত হন। পরবর্তীতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কোনো কথা না শুনেই বাউন্ডারি প্রাচীর ভেঙে তাদের ৬ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮৫ সালে মরহুম হাজী আব্দুল রশিদ কাজীর দান করা ৪২ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৫৫০ জন শিক্ষার্থী এবং ১৮ জন শিক্ষক নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ধ্বংস করা মানে শুধু একটি ভবন বা প্রাচীর ভাঙা নয়, এটি শিক্ষার পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করা। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হওয়া জরুরি।

এএন

Link copied!