ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

পদোন্নতি নিয়ে ক্ষোভ, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বেরোবি কর্মকর্তাদের

আবু সাঈদ, বেরোবি প্রতিনিধি

আবু সাঈদ, বেরোবি প্রতিনিধি

জুন ২৫, ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম

পদোন্নতি নিয়ে ক্ষোভ, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বেরোবি কর্মকর্তাদের

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে পদোন্নতি, আপগ্রেডেশন, দায়িত্ব বণ্টন ও প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও একাংশ কর্মকর্তা প্রশাসনিক সুবিধা পেলেও অন্যরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এতে কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা ও প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে।

কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসন একাংশ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, আপগ্রেডেশনসহ বিভিন্ন সুবিধা দিলেও বিএনপিপন্থীসহ ৭ম ও ৫ম গ্রেডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও গুরুত্ব পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তাদের দাবি, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এ বৈষম্যের সমাধান না হলে আন্দোলনের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত ৭ম গ্রেডের প্রায় ১৮ জন কর্মকর্তার আপগ্রেডেশনের সময় পূর্ণ হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। একইভাবে ৫ম গ্রেডের প্রায় ১০ জন কর্মকর্তার পদোন্নতিও আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, গ্রন্থাগারিক, রেজিস্ট্রারসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে পূর্ণকালীন নিয়োগ দেওয়ার জন্য ইউজিসির নির্দেশনা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত বা অতিরিক্ত দায়িত্বের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অফিসে সবসময় পাওয়া যায় না এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবাও ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

তাই এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে পূর্ণকালীন ও নিয়মিত দায়িত্ব পালনের দাবি জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

প্রায় ১১ বছর ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তা ও জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদুর রহমান বলেন, ২০০৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারে সহকারী পরিচালক (গ্রন্থাগার) হিসেবে যোগদান করার পরও তিনি বারবার পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৪ সালে আবেদন করেও কোনো পদোন্নতি পাননি। অথচ তার চেয়ে জুনিয়র কর্মকর্তারা একাধিকবার পদোন্নতি পেয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, “আমি কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না। যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা ও নীতিমালার ভিত্তিতে আমার ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য পদোন্নতি চাই।”

পদোন্নতিবঞ্চিত ৭ম গ্রেডের কর্মকর্তা ও সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার। এ দাবিতে কর্মকর্তারা আগে কর্মবিরতি পালন করেছিলেন। উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের আশ্বাসে গত ৯ জুন কর্মসূচি স্থগিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

তিনি বলেন, আগামী ২৮ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে বোর্ড সভা আয়োজনের কার্যকর উদ্যোগ না দেখা গেলে আমরা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করব।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান বলেন, পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশনের জন্য বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করায় বোর্ডের কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বোর্ড সভা আয়োজন সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

এম জি

Link copied!