ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

লালমনিরহাটে আসামির দায়ের কোপে দুই পুলিশ সদস্য আহত

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

জুন ২৭, ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম

লালমনিরহাটে আসামির দায়ের কোপে দুই পুলিশ সদস্য আহত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত (গ্রেপ্তারিপরোয়ানা) এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তাঁর দায়ের কোপে হাতীবান্ধা থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদ চোরের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলায় আদালত গ্রেপ্তারিপরোয়ানা জারি করেছিলেন।

শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাশেদুলকে গ্রেপ্তার করতে তাঁর বাড়িতে যৌথ অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে দেশীয় ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কবজিসহ শরীরের একাধিক স্থানে গভীর ক্ষত তৈরি হয় এবং এএসআই আব্দুল লতিফও রক্তাক্ত জখম হন। ঘটনার পরপরই আসামি রাশেদুল সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরে খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে এসআই রুহুল আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাঁকে রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তাঁর আকস্মিক হামলায় হাতীবান্ধা থানার দুইজন অফিসার আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহত রুহুল আমিনকে রংপুরে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাঁদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। এই হামলার ঘটনায় হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল জোরদার অভিযান চালাচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!