ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

মুক্তাগাছায় লজিং শিক্ষকের ধর্ষণে মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২৭, ২০২৬, ০২:০১ পিএম

মুক্তাগাছায় লজিং শিক্ষকের ধর্ষণে মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৫ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক লজিং শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহ উপজেলার ভিটিবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ধর্ষণের এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

মুক্তাগাছা থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খেরুয়াজানী ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী কিশোরীর ফুফাতো ভাইয়ের সহপাঠী হওয়ার সুবাদে তাদের বাড়িতে লজিং থাকতেন। কিশোরীর বাবা-মা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করায় সে গ্রামের বাড়িতে দাদির সঙ্গে বসবাস করত। গত বছরের ২২ নভেম্বর রাতে পড়াশোনা করার সময় কিশোরীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন আব্দুল্লাহ। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ফলে ভয় ও সামাজিক লজ্জার কারণে দীর্ঘদিন ঘটনাটি গোপন রাখে ওই কিশোরী।

সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে দাদির সন্দেহ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, কিশোরী বর্তমানে ২৭ সপ্তাহের অর্থাৎ প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে সে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে অবশেষে তার বাবা মুক্তাগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি। সে এখন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং এই অপরাধের সুষ্ঠু বিচারের পাশাপাশি সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি চায়।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে এর আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলেও সে বারবার স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিল। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!