ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬
নির্বাহী প্রকৌশলী

ডিপিপি অনুমোদন হলেই শুরু হবে বাসন্ডা সেতুর নির্মাণকাজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম

ডিপিপি অনুমোদন হলেই শুরু হবে বাসন্ডা সেতুর নির্মাণকাজ

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার এক দশক পেরিয়ে গেলেও ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। ফলে বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বাসন্ডা বেইলি সেতু দিয়ে প্রতিদিন জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শত শত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। ভারী যানবাহন উঠলেই পুরো সেতুটি কাঁপতে থাকে। কিছুদিন পরপর স্টিলের পাটাতনে ঝালাই দিয়ে মেরামত করা হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই তা আবার আগের ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় ফিরে যায়। ফলে যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ঝালকাঠি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীর ওপর প্রায় ৩৯৪ ফুট দীর্ঘ ও ২৫ ফুট প্রস্থের এই বেইলি সেতুটি নির্মাণ করা হয়। বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৭০০ ভারী যানবাহন চলাচল করে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে প্রায়ই সেতুর স্টিলের পাটাতন ফেটে যায় এবং নাট-বল্টু ঢিলে হয়ে পড়ে। ফলে নিয়মিত মেরামত করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান দিতে পারছে না।

এমন পরিস্থিতিতে ২০১৬ সালে সওজ বিভাগ সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। তবে এর পরও নতুন স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ আলোর মুখ দেখেনি। স্থানীয়দের মতে, এই সেতুটি ভেঙে পড়লে ঝালকাঠির সঙ্গে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

খুলনা-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী বাসের চালক মোকলেসুর রহমান হাওলাদার বলেন, দুর্ঘটনার চরম আশঙ্কা থাকার পরও প্রতিদিন নিরুপায় হয়ে যাত্রী নিয়ে এই সেতু পার হতে হয়। বারবার জোড়াতালি দিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় না করে দ্রুত একটি নতুন স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।

স্থানীয় বাসিন্দা খলিল হাওলাদার বলেন, ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সেতুতে প্রচণ্ড শব্দ হয় এবং পুরো সেতু দুলতে থাকে। সব সময় এক বুক আতঙ্ক নিয়ে আমাদের এই পথ পার হতে হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলী শাহরিয়ার শরীফ খান জানান, সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও নকশা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন হলেই দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!