ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং

নিম্নচাপের প্রভাবে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় এ সতর্কতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আকবরশাহ ঝিল ১, ২ ও ৩ নম্বর এলাকা, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়, বেলতলীঘোনা পাহাড়, টাংকির পাহাড়, আমিন জুট মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক এলাকা, মিয়ার পাহাড়, মুরাদপুর রেলস্টেশন-সংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড়, মতিঝর্ণা, লালখান বাজারের পোড়া কলোনি, ঢেবারপাড়, আমবাগান এবং উত্তর হালিশহর উপকূলসংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বিশেষভাবে প্রচারণা চালিয়ে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও দেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেতের পরিপ্রেক্ষিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মানুষের জানমাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। শুধু মাইকিং নয়, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়সংলগ্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে দ্রুত মানুষকে নিরাপদে স্থানান্তর করা যায়।

এএন

Link copied!