ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬
হালদার স্রোতে সাঁকো বিধ্বস্ত

হাটহাজারী-রাউজান-ফটিকছড়ির সীমান্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মো. সাহাবুদ্দীন সাইফ, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)

মো. সাহাবুদ্দীন সাইফ, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)

জুলাই ৮, ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম

হাটহাজারী-রাউজান-ফটিকছড়ির সীমান্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নসংলগ্ন হালদা নদীতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঁশের সাঁকো ভেঙে পড়েছে। এতে হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি-এই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হালদা নদীর পশ্চিম তীরে হাটহাজারী উপজেলা এবং পূর্ব তীরে রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলার সীমানা। তিন উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দারা হাটহাজারী সদর ও চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করতেন। পাশাপাশি নাঙ্গলমোড়া, নোয়াজিষপুর ও দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর এলাকার শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতেন। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় পুরো এলাকার স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য লায়ন ডা. সালাউদ্দীন আলী বলেন, হালদা নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি। আকস্মিক এ দুর্ভোগের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই স্থানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিশিয়াল) পত্র দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতু নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল।

 এম জি
 

Link copied!