ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

জুলাই ১১, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি ওঠার সাথে সাথে ছেয়ে গেছে শতশত চায়না জালে। চায়না জালকে একটা নির্দিষ্ট যন্ত্র (ফিক্সড ইঞ্জিন) বলা হয়। এই জালে ছোট-বড় সব মাছই ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো এই চায়না জালে বেশি আটকে যায়। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য চরম হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট-বড় সব ধরনের মাছই আটকে পড়ছে। স্থানীয়রা জানান, গত বছর সামান্য কিছু হলেও এলাকার বাজারগুলোতে দেশীয় মাছ দেখা যেত। কিন্তু এই বছর বর্ষা শুরু হতে না হতেই সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। এভাবে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না বলেও তাঁরা জানান।

বিশিষ্টজনদের মতে, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধ্বংস করলেই হবে না, আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তবেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে। এই বছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করলেও আর কোথাও অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন।

বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। এক-একজনের ৪টি থেকে ৮টি পর্যন্ত চায়না জাল রয়েছে। এ ছাড়াও ধলঘাট হতে টিকরী পর্যন্ত বংশাই নদীর দুপাড়ে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী-ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া-আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে এবং পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে।

বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধ্বংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এই ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমানের সহিত কথা বললে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!