ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৯, ২০২৬, ১২:৪০ এএম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

মার্কিন ডলারের মূল্যহ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবার কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। তবে সরকারি বন্ডের উচ্চ মুনাফা বা ইল্ডের কারণে স্বর্ণের এই দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা সীমিত রয়েছে। একই সাথে বিশ্ববাজারের বিনিয়োগকারীরা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত পরিস্থিতির দিকেও কড়া নজর রাখছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার দিনের শুরুতে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম গত ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। তবে পরবর্তীতে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং প্রতি আউন্স ৪,৫৬৭.৪৯ ডলারে পৌঁছায়। এ ছাড়া আগামী জুন মাসের ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.২ শতাংশ বেড়ে ৪,৫৭২.৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের বেশিরভাগ প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দরপতন হওয়ায় অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার-মূল্যের স্বর্ণ কেনা আগের চেয়ে আরও সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম উইকফ বলেন, মার্কিন ডলার সূচক দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসা এবং অপরিশোধিত তেলের দাম হ্রাস পাওয়া স্বর্ণের বাজারের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।

ইরানি গণমাধ্যমের সূত্র ধরে জানা গেছে, ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই খবরের জেরে মার্কিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ ডলার কমেছে। এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছিল, যা বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়ে দেয়।

স্বর্ণকে সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম এবং মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলার হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়। তবে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সুদবিহীন এই ধাতুর আকর্ষণ কমে যায়, কারণ তখন বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা পাওয়া যায় এমন বন্ড বা ব্যাংকিং খাতের দিকে ঝুঁকে পড়েন। জিম উইকফ আরও উল্লেখ করেন, বাড়তে থাকা বন্ড ইল্ড স্বর্ণ ও রুপার বাজারের জন্য নেতিবাচক। এটি মূল্যবৃদ্ধির গতিকে আটকে দিতে পারে কিংবা স্বল্পমেয়াদে দাম কমার চাপ তৈরি করতে পারে।

সোমবার বিশ্বব্যাপী সরকারি বন্ডের দরপতন আরও তীব্র হয়েছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়িয়েছিল এবং বিশ্বজুড়ে সুদের হার আরও বাড়তে পারে এমন একটি প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড, যা সাধারণত বন্ড মূল্যের বিপরীত দিকে চলে, তা বেড়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে কিছু শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক তাদের স্বল্পমেয়াদি স্বর্ণের দামের পূর্বাভাস কমাতে শুরু করেছে। যেমন আন্তর্জাতিক বড় ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যান ২০২৬ সালের জন্য গড় স্বর্ণমূল্যের পূর্বাভাস প্রতি আউন্স ৫,৭০৮ ডলার থেকে কমিয়ে ৫,২৪৩ ডলারে নামিয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও মিশ্র প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। স্পট রুপার দাম ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৭.৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০.১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৯৭৫.০৫ ডলারে। তবে এর বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ০.৬ শতাংশ কমে ১,৪০৪.৭৫ ডলারে নেমে গেছে।

জেএইচআর

Link copied!