ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে মারামারি, বাস ভাঙচুর

জবি প্রতিনিধি :

জবি প্রতিনিধি :

নভেম্বর ১৮, ২০২৪, ০৫:৩৩ পিএম

জবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে মারামারি, বাস ভাঙচুর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ত: বিভাগীয় ফুটবল খেলায় ইংরেজি বিভাগ এবং গণিত বিভাগের মধ্যকর মারামারিকে কেন্দ্র করে গনিত বিভাগের শিক্ষার্থী কর্তৃক ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাংচুরের সাথে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি, নিন্দা ও প্রতিবাদে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,  আজ  ইংরেজি বিভাগ ও গণিত বিভাগের ফুটবল ম্যাচে ইংরেজি বিভাগ জয়লাভ করার পর তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিভাগ দুইটির শিক্ষার্থীরা। পরে ২ পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ১০ জন আহত হয়। খেলার মাঠে বিষয়টি মিটমাট হলেও বাসে আসার সময় গণিত বিভাগের কয়েকজন ছাত্র লাঠি, রড, চেইন নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর অতর্কিতে হামলা করে। এতে ইংরেজি বিভাগের ইবরাহিম, শিপন, কলিমসহ ৬ জনকে রক্তাক্ত আহতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাঙচুর করে।

এদিকে হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের গণিত বিভাগের সাধারণ সম্পাদক সাদিউল সৈকত, ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকায় নেত্রকোণা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সদ্য অবাঞ্ছিত সেক্রেটারি ১৪ ব্যাচের এনামুল হক ইহাদ, ফয়সাল ও ১৬ ব্যাচের এ এইচ হৃদয় লাঠি হাতে বাসের কাঁচ ভাঙ্গছেন।

ইংরেজি বিভাগের উম্মে হাবিবা বলেন, গণিত বিভাগের সৈকত, ইহাদ, ফয়সাল আর হৃদয় লাঠি নিয়ে বাসে হামলা করে, মারামারি করে খেলায় হারার পর। আমাদের বিভাগের কলিম ও ইব্রাহিম ভাইকে অনেক মারধর করেছে। মেয়েদের হেনস্তা করেছে। আমরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ নষ্ট করা এবং নারী শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক ও অন্য শিক্ষার্থীদের কে হ্যারাসমেন্ট করার কারণে আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে গণিত বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী এনামুল হক ইহাদ বলেন, ‘টাইব্রেকার শেষে ইংরেজি বিভাগের গোলকিপার আমাদের দর্শকদের দিকে বালু দেয়। আমরা যখন প্রতিবাদ করতে আসলাম তখন তারা সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের উপর হামলা করেন। তারা পতাকার পাইপ দিয়ে আমাদের মারতে আসে। ক্যাম্পাসের বাসে আসার সময় আমাদের বাসের দিকে বাঁশ দিয়ে জানালায় খোঁচা মারে আমাদের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্য করে। তখন আমাদের জুনিয়ররা একটু রেগে যায়। আমরা কালকে প্রতিবাদ লিপি প্রক্টর অফিসে দিবো।’

বাস ভাংচুরের বিষয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী রুবেল রানা বলেন, ‘মূলত যখন দরজা খুলছিল একজন বের হতে চাইছিল। তখন তাকে দাওয়া দিলে, সে দরজা বন্ধ করে দেয় ওই সময়ই মূলত দরজাটা ভেঙ্গে গেছে।’

এদিকে খেলার মাঠে মারামারিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে হামলা ও ভাঙচুর করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাস ভাংচুরের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 

এ বিষয়ে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল সায়েল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাঙচুর, নিজের বিভাগ কে নিয়ে আরেক বিভাগের সাথে মারামারি করা—এসব করে কি নিজেদেরকে বড় গুন্ডা প্রমাণ করতে চাচ্ছেন? নাকি ছাত্রলীগের নতুন গুন্ডামির বৃত্তি খুঁজে বেড়াচ্ছেন? ছাত্রদের এভাবে আচরণ করলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হবে। এদের এখনই রুখতে হবে, নইলে আগামীতে শিক্ষাঙ্গণ হবে গ্যাংস্টারদের আড্ডাখানা হবে।’

অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘খেলা নিয়ে টুকটাক ঝামেলা হয় এটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু সেটার উপর বেইস করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাঙার মতো সাহস কোথায় পায় তারা? বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সকল শিক্ষার্থীদের এটা করো বাবার সম্পত্তি না। যারা এমন উগ্রতার পরিচয় দিয়েছে ফুটেজ দেখে সকল কে এর উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় অন্য ডিপার্টমেন্ট গুলো ছোটখাটো ঝামেলায় বাস ভাঙা শুরু করবে।’

এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. তাজাম্মুল হক বলেন, ‘আজ ভিসি স্যার ক্যাম্পাসে নেই। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নিবেন।

বিআরইউ
 

Link copied!