ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে তোপের মুখে নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ০৯:২২ পিএম

নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে তোপের মুখে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচনী আচরণবিধির নানা অসঙ্গতি ও প্রয়োগ ক্ষমতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো, যা নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সরাসরি তোপের মুখে ফেলে দিয়েছে। সাংঘর্ষিক বিধান, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিঘ্ন, এবং আচরণবিধি বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও সদিচ্ছা নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার নির্বাচন ভবনে ইসি আয়োজিত সংলাপে এনসিপি, বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত দলের নেতারা আচরণবিধির বিভিন্ন অসঙ্গতির বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেন।

জামায়াত নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ বলা হয়েছে, কিন্তু ‘ঘ’ উপধারায় একইসঙ্গে পোস্টার ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ভঙ্গ করলে শাস্তির কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কে শাস্তি দেবে তা উল্লেখ নেই। এই অস্পষ্টতা নির্বাচনী আচরণ বিধিকে কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যাহত করছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, “আচরণবিধি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যে, এটি নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের ওপর নিপীড়নমূলক প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্ত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া অস্পষ্ট এবং কমিশনের সক্ষমতা সীমিত।” তিনি বলেন, বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাঠামোগত অস্পষ্টতা ছোট দলগুলোকে অসম প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করেন, প্রচারের জন্য ইতোমধ্যে প্রচুর ফেস্টুন ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ছোট প্রার্থীরা অসম সুবিধার মধ্যে পড়ছেন। তিনি আরও বলেন, “পরিবেশসম্মত বিকল্প পদ্ধতি থাকা সত্ত্বেও পোস্টার ব্যবহার বন্ধ করলে প্রচারের ভিজুয়াল অংশ প্রভাবিত হবে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহাসচিব মোহাম্মদ মমিনুল আমিনও আচরণবিধির অস্পষ্টতা এবং জোট ও প্রতীকের ব্যবহার নিয়মে প্রয়োগজনিত জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংলাপে অন্যান্য দলের নেতারা বিলবোর্ড, পোস্টার ও প্রচার সামগ্রীর ক্ষেত্রে আইনগত অস্পষ্টতা এবং কালো টাকা ও প্রার্থীদের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের বিধান নিয়ে সমালোচনা করেন।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নির্বাচন কমিশনার ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “প্রণীত আচরণবিধি বেশিরভাগই নির্বাচন সংস্কার কমিশনের মতামত অনুযায়ী তৈরি হয়েছে। তবে প্রয়োগের সময় যদি স্পষ্টকরণের প্রয়োজন হয়, আমরা তা সম্পন্ন করব।”

এদিন সকাল ও বিকালে দুই দফায় এক ডজন দলের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনার, দলীয় প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সংলাপ এবং রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র সমালোচনার ফলে নির্বাচনী আচরণবিধির বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ইএইচ

Link copied!