ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাদের আত্মহত্যা, নেপথ্যে যে কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাদের আত্মহত্যা, নেপথ্যে যে কারণ
সংগৃহীত ছবি

গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে আত্মহত্যার হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সেনাদের একটা বড় অংশ পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারে (পিটিএসডি) আক্রান্ত হয়ে নিজেদের শেষ করে দেয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। 

সম্প্রতি দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থার এক প্রতিবেদনে সামরিক বাহিনীতে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে। গাজার কর্মকর্তা ও লেবাননের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এবং দক্ষিণ লেবাননে ৪ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, ৭ অক্টোবরের পর থেকে তাদের এক হাজার ১০০ জনের বেশি সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। এই যুদ্ধে গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ২০ লাখ মানুষের অধিকাংশই পর্যাপ্ত আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

ফিলিস্তিনি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গাজার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। শিশুদের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখা ও মনোযোগ ধরে রাখতে না পারার মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

এদিকে গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালানো ইসরায়েলি সেনারাও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভুগছেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে সেনাদের মধ্যে পিটিএসডির ঘটনা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এই সংখ্যা ১৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

যুদ্ধে আহত হওয়া ২২ হাজার ৩০০ জন সেনা ও কর্মীর মধ্যে ৬০ শতাংশই পোস্ট-ট্রমায় ভুগছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাজেটও বাড়ানো হয়েছে।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাকাবি তাদের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তাদের অধীনে চিকিৎসাধীন ইসরায়েলি সামরিক সদস্যদের ৩৯ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা চেয়েছেন এবং ২৬ শতাংশ বিষণ্নতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

উত্তর ইসরায়েলের এমেক মেডিকেল সেন্টারের কমব্যাট ভেটেরান গবেষণা বিভাগের পরিচালক ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট রোনেন সিদি বলেন, সেনারা সাধারণত দুই ধরনের ট্রমার সঙ্গে লড়াই করছেন।

এর একটি উৎস হলো গভীর ভয়। গাজা ও লেবাননে মোতায়েন থাকা অবস্থায় এবং ইসরায়েলে নিজেদের বাড়িতে থাকাকালেও মৃত্যুভয়ের অনুভূতি হচ্ছে তাদের। সিদি বলেন, দ্বিতীয় উৎসটি হলো নৈতিক আঘাত, অর্থাৎ নিজের করা কোনো কাজের কারণে অপরাধবোধে ভোগা।

তিনি বলেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে সেনাদের সিদ্ধান্ত সঠিক হয় না। তাদের গুলিতে নারী ও শিশু আহত বা নিহত হয়। নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন, আর আপনি যা করেছেন তা আর সংশোধন করার সুযোগও নেই।’

এএন

Link copied!