ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ২৮, ২০২৬, ১০:২৮ এএম

নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি গ্রেপ্তার

নেপালের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ (বালেন শাহ) শপথ গ্রহণের ঠিক পরদিনই এক নাটকীয় অভিযানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

শনিবার ভোরের দিকে রাজধানী কাঠমান্ডুর ভক্তপুর এলাকায় নিজ নিজ বাসভবন থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশ।

কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী সাংবাদিকদের জানান, নেপালের বিশেষ আদালতের সাবেক বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাঁদের আটক করা হয়েছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কে পি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নেপালে ব্যাপক 'জেন-জি' বিক্ষোভ শুরু হয়। সেই আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অলি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। বিশেষ করে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৭০ জন নিহত হন, যাঁদের মধ্যে ১৯ জনই ছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনতা।

জনরোষের মুখে গত ১১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন কে পি শর্মা অলি। এর আগে পদত্যাগ করেছিলেন রমেশ লেখক। পরবর্তীতে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারই আন্দোলনের সময়কার সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনা তদন্তে গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করেছিল।

গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেপালের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ। তিনি রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির নেতা। নতুন সরকারের শপথের পরদিনই এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে 'ন্যায়বিচার' হিসেবে দেখছে প্রশাসন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরং বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং আন্দোলনের সময় নিহতদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।

জেএইচআর

Link copied!